Encrypting your link and protect the link from viruses, malware, thief, etc! Made your link safe to visit.

তিনিই আমার রব 💎 লেখক : শাইখ আলী জাবির আল-ফীফী



💎 বই : তিনিই আমার রব
💎 লেখক : শাইখ আলী জাবির আল-ফীফী
💎 ভাষান্তর : আব্দুল্লাহ মজুমদার
💎 সম্পাদক : আরিফ আজাদ
💎 প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
💎 মুদ্রিত মূল্য : ২৩৫/-
💎 পৃষ্ঠা : ১৬৩
       --------------------------------------

📕⏩ বই রিভিউ :

আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা। তাঁর অনেকগুলো নাম রয়েছে। এ নামগুলোকে বলা হয় ‘আল-আসমাউল হুসনা’ তথা সুন্দরতম নামসমূহ।
আল্লাহ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যবানে আমাদের জানালেন,
নিশ্চয় আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম আছে, একশটির একটি কম। যে এগুলোকে পূর্ণ ঈমানসহ অনুধাবন করল সে জান্নাতে প্রবেশ করল।
এ হাদীসে আল্লাহর নিরানব্বইটি নামই আয়োও করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। এখন এ আয়ওের ধরন কেমন হবে? এর উওরে ইবনুল কায়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন— এটি তিন ভাবে হবে।

১. এ শব্দগুলো জানা।
২. এগুলোর মর্মার্থ জানতে পারা।
এগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে চাওয়া এবং এগুলোর দাবি অনুসারে ‘আমল করা’।

আল্লাহর নান্দনিক নামগুলো হতে পারে ‘ঈমানের বড়সড় একটি দরজা’। এর ভেতর দিয়ে বান্দা এক বিশেষ পবিএ জগতে প্রবেশ করে। যেখানে তার অন্তর আল্লাহর সম্মানে তাকে সিজদা করে এবং তাঁর ভয়ে, বিনম্র ভালোবাসায় তাঁরই অভিমুখী হয়।তাঁর দয়ার ভান্ডার অফুরন্ত। তিঁনি সব কিছু শোনেন, স-অ-ব কিছু দেখেন।

আল্লাহর নামগুলো না জানলে তো আমরা মরুভূমিতে পথহারা লোকের মতো হয়ে যাব। মরুভূমির গনগনে রোদে আমাদের দিনগুলো, আমাদের প্রাত্যহিক ‘আমলগুলো ঝলসে যাবে। ফলে অন্তরে সারাক্ষণ বিরাজ করবে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ।
তাই, সবচেয়ে আপনজন হিসেবে আমাদের আল্লাহকেই বেছে নেয়া উচিত। তাঁর উপর ঈমান এনে- তাঁরই সামনে নত হয়ে, লাভ করার চেষ্টা করলে আমরা সুখী হতে পারবো। আমাদের ভাগ্যের দুয়ার খুলে যাবে।

আল্লাহ তায়ালা’র রয়েছে অসংখ্য গুণাবলি। এই বইটি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আনহু এর দশটি গুণবাচক নাম দিয়ে সাজানো হয়েছে। এই গুণবাচক নামগুলির বিস্তারিত বর্ণনা, গুরুত্ব ও তাৎপর্য খুবই চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনি নামগুলো যখন পড়তে শুরু করবেন- কিছু পৃষ্ঠা পড়ার পরেই আপনার চোখের কোণে কখন যে পানির ফোঁটা জমে যাবে টেরই পাবেন না।

❄️🌼❄️ বইটি থেকে কিছু অংশ তুলে ধরছি যেন পাঠকরা বইটি পড়তে আগ্রহী হন—

💙💖💚 অন্তরটা কেবল তাঁর জন্যই রাখুন—
নবী সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম ইবনু আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু কে বলেছেন—
তুমি চাইলে আল্লাহর কাছে চাইবে।
যখনই আপনার কোনো কিছুর প্রয়োজন হবে, তখন তা যার কাছে চাইবেন— তিনি যেন আল্লাহই হন।
এক আল্লাহভীরু ব্যাক্তি থেকে আবু হামিদ আল-গাযালী রাহিমাহুল্লাহ একটি কথা বর্ণনা করেছেন— যা আমার খুবই ভালো লেগেছে। সেখানে তিনি আল্লাহর মহান নামের ব্যাপারে বলেছেন, ‘আপনার অন্তরটি আপনি অন্য সব কিছু থেকে শূণ্য করে শুধু আল্লাহর জন্য রাখুন। তারপর তাঁকে যে নামেই ডাকবেন তিনি সাড়া দেবেন।‘
আপনার ওপর যখন কোনো বিপদ আসে, ধরে নিন সেটি কোনো চিঠি। এ চিঠি আপনাকে বলছে, ‘আপনার একজন রব আছেন। তাঁকেই ডাকুন।‘

💢💦💢 আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আনহু’র একটি গুণবাচক নাম হলো ‘আল-হাফীয তথা মহারক্ষক’।
মহান রক্ষক তো তিনিই, যার দেওয়া কান দিয়ে আপনি হারাম শোনেন। অথচ মুহূর্তের মধ্যে তা অক্ষম ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি আপনাকে তা ব্যবহার করার সুযোগ দেন।

মহান রক্ষক তো তিনিই, যার দেওয়া চোখ দিয়ে আপনি হারাম দেখেন। অথচ ক্ষণিকের মধ্যে তাঁর দৃষ্টি কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি আপনাকে তা ব্যবহার করার সুযোগ দেন।

তিনি আপনার দ্বীনেরও সংরক্ষক। আর এর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য আপনি সিজদায় গিয়ে বলবেন, “হে অন্তরসমূহ ও দৃষ্টিসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অটল রাখুন।“

💫👑💫 মহান রবের আর একটি গুণবাচক নাম হচ্ছে ‘আশ-শাফী তথা আরোগ্যদাতা।‘
তিনি আপনাকে আরোগ্য দেন—
🕊️🦋 সামান্য মাধ্যমে,
🕊️🦋 বিস্ময়কর মাধ্যমে,
🕊️🦋 যেটা মাধ্যম না সেটা দিয়েও,
🕊️🦋 আবার কোনো মাধ্যম ছাড়াই।
মুমিন শুধু চিরজ্ঞীব আল্লাহর কাছেই আশ্রয় নেবে। তিনি বলেছিলেন—
“ আর যখন আমি অসুস্থ হই তখন তিনিই সুস্থ করেন”।
আল-কুরআন= ২৬:৮০

🎈♥️🎈 আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আনহু এর আরেকটি গুণবাচক নাম হলো : ‘আশ-শাকুর তথা গুণগ্রাহী।‘
এক বেদুইনকে বলা হলো, ‘তুমি তো মরবে।‘
সে বলল, ‘তারপর কোথায় যাবো?’
‘আল্লাহর কাছে।‘
‘তাহলে যার কাছে কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই পাবো না, তাঁর কাছে যেতে ভয় কীসের?’
আহ, কী অপার্থিব অনুভূতি। আল্লাহর ওপর কত বড় আশা এই বেদুইনের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছে। এ ব্যাপারে কুরআনও স্বীকৃতি দিয়ে বলে—
“তোমাদের যে সব নি’য়ামাত আছে তা আল্লাহর থেকেই”।
আল-কুরআন= ১৬:৫৩

সব কিছুই স্বাস্থ্য, টাকা-পয়সা, বিশ্রাম ও সন্তুষ্টি—যা কিছু আপনাকে ঘিরে রেখেছে তার সবই আল্লাহর থেকে।
“আপনার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ বিশাল”।
আল-কুরআন= ০৪:১১৩
আপনি সাকুল্যে ষাট-সত্তর বছর তাঁর ইবাদাত করেন। তার মধ্যে অধিকাংশই আবার কোনো কষ্ট ছাড়া ঘুমিয়ে বা বৈধ (মুবাহ) কাজ করেই। তারপরও তিনি আপনাকে এমন জান্নাত উপহার দেন যেটা আসমান যমীন পরিব্যাপ্ত করে আছে, যে জান্নাতে আপনি বাস করবেন অনন্তকাল।
না করতেই যিনি এত দিতে পারেন, তাহলে সামান্য করলে তিঁনি ঠিক কতটা দেবেন?

🎇⏳🎇 শেষ করতে চাই, সহীহ মুসলিমের (২৬৬) একটি হাদিস দিয়ে—সুহাইব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
‘যখন জান্নাতবাসী জান্নাতে প্রবেশ করবে তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা’আলা বলবেন, “তোমরা কি এমন কিছু চাও—যা আমি অতিরিক্ত দেব?” জান্নাতীগণ বলবে, “আপনি কি আমাদের চেহারা শুভ্র করেননি? আমাদের কি আপনি জান্নাতে প্রবেশ করাননি? আমাদেরকে কি আপনি জাহান্নাম থেকে রক্ষা করেননি?” এ কথার পর আল্লাহ তাঁর পর্দা সরিয়ে দেবেন। জান্নাতীগণ তাদের রবকে দেখার মতো এত প্রিয় আর কিছুই পাবে না।‘


ST

Report Abuse

About Me

Tags

Search This Blog

Categories

Categories

Advertisement

40% Off

Popular Posts

Follow Us

⬇⬇ Join Now to Earn Upto 15$ Daily Totally Free⬇⬇

⬇⬇ Join Now to Earn Upto 22$ Daily Totally Free ⬇⬇

Recent in Women

⬇⬇Get Your Link⬇⬇

Facebook