ডোমেইন, হোস্টিং নিয়ে বিস্তারিত



ডোমেইন, হোস্টিং নিয়ে বিস্তারিত- দ্বিতীয় পর্ব।

ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে গতকাল আমি প্রথম পর্ব লিখেছি তাতে বেসিক ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। আজকে আমি বিস্তারিত আরেকটা লিখা দিলাম ।

তাহলে চলুন শুরু করি-
ডোমেইন:
সহজ কথায় বলতে ডোমেইন হল একটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন http://www.google.com, http://www.facebook.com, http://www.youtube.com, trickbn.com, etc. এখানে www হল World wide web যেটির মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রিত হয় যা World wide web consortium (W3C) এই কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রন করে তবে এখন আর www লিখতে হয়না ব্রাওজার অটোমেটিক ধরে নেয়। google, facebook, youtube, trickbn এগোলো হল ডোমেইন নেইম আর .com হল এক্সটেনশন .net .info .org .mobi .biz .tech .website .co .cc .st অনেক এক্সটেনশন আছে। ডোমেইন নিয়ন্ত্রিত হয় ICANN নামক কোম্পানি দ্বারা, তারা ডোমেইন নিয়ন্ত্রন, গবেষনা, সংস্করন করে। ডোমেইন এর কার্যকলাপ DNS (Domain name server অনেকে Domain name service ও বলে) এর মাধ্যমে।

হোর্স্টিং:
শুধু ডোমেইন নেইম দিয়ে ওয়েব সাইট হয়না ডোমেইন বোঝাতে, ধরুন আপনি একটি বাড়ি করবেন তার জন্য আপনাকে প্রথমে জমি কিনতে হবে জমি কিনার জন্য আপনাকে দলিল করে রেজিষ্ট্রি করতে হবে তারপর সেখানে ইট, বালু, রড, সিমেন্ট ইত্যাদি দিয়ে বাড়ি বানাতে হবে। ডোমেইনটা হল শুধু আপনার সেই দলিল বা রেজিষ্ট্রি বা এড্রেস বা আপনার মালিকানা যা আপনি ডোমেইন প্রোভাইডার কোম্পানি থেকে কিনবেন আর হোস্টিং হল আপনার বাড়ি বানানোর উপকরন বা সরঞ্জাম (ইট, বালু, সিমেন্ট ইত্যাদি), ওয়েবসাইট বানাতে হলে আপনাকে অবশ্যই সরঞ্জাম বা উপকরন লাগবে তা না হলে শুধু দলিল বা নাম দিয়ে কিছু হবেনা। ডোমেইনের ত আর ইট বালু, সিমেন্ট এগুলো বুঝেনা সে বুঝে কন্ট্রোল প্যানেল বা সি প্যানেল যেখানে ডিস্ক স্পেস (যেখানে আপনার সাইটের কন্টেন্ট যেমন ইমেজ, আরটিকেল, অডিও, ভিডিও ফাইলগুলো থাকবে), মাইএসকিউএল, ডাটাবেজ, ব্যান্ডউইথ ইত্যাদি ওয়েব সাইটের জন্য যা যা দরকার সবই থাকবে এই সবগুলো একটা কন্টোল প্যানেল বা সি প্যানেল এ থাকবে। অর্থ াৎ আপনার ডোমেইন টাকে কোন একটা সিপ্যানেল এ হোস্ট করতে হবে আর এটাকেই হোস্টিং বলে। আশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন।

হোস্টিং এর মধ্যে এখনও সবার উপরে আছে Hostgator তবে আরও অনেক ভাল ভাল কোম্পানী আছে যেমন iPage, Namecheap, 1and1 etc. তবে এগুলোর দাম অনেক বেশি।
ডোমেইন হোস্টিং কি এক কোম্পানী থেকে কিনতে হবে? উত্তর না আপনি চাইলে এক কোম্পানী থেকেও কিনতে পারবেন অথবা আলাদাভাবেও নিতে পারনে এটা আপনার ইচ্ছা এক কোম্পানী থেকে কিনলে তারা নিজেরাই নেইমসার্ভার সেটিং করে দিবে আর আলাদা ভাবে নিলে আপনাকে নিজে নেইমসার্ভার এড করে নিতে হবে।
হোস্টিং এর মধ্য কিছু ভাগ আছে আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট বা ভিজিটর বা চাহিদার উপর ভিত্তি করে হোস্টিং নিতে পারেন। শেয়ারড হোস্টিং, রিসেলার হোস্টিং, ডেডিকেটেড হোস্টিং, ভিপিএস ইত্যাদি হোস্টিং আছে।

কিভাবে ডোমেইন হোস্টিং কিনব ?
ডোমেইন হোস্টিং সেল করার অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে বিশ্বে বাংলাদেশেও আছে অনেক ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্য Goddady, enom, hostgator, iPage, Register, name, namecheap, nameselo, 1and1 ইত্যাদি উলেখযোগ্য সবচেয়ে বড় কোম্পানি হল Goddady বিশ্বের যত ডোমেইন কোম্পানি আছে তাদের মধ্য সবচেয়ে বেশি ডোমেইন সেল হয়েছে তাদের। তবে Goddady এর নামে অনেক অভিযোগও রয়েছে তারা বেশি টাকার বিনিময়ে ডোমেইন নিয়ে দুই নাম্বারি করেছে এমন অনেক রেকর্ডও আছে। বাংলাদেশে অনেকগুলো প্রাভাইডার আছে তবে তারা রিসেইলার তথা বিদেশী কোম্পানী থেকে পাইকারী দামে দিয়ে আমাদের কাছে সেল করে।

ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানী থেকে ডোমেইন কিনতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথড্ মানে পেপাল, মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থাকতে হবে যেগুলো বাংলাদেশে এখনো এভায়লেবল না যদিও পেওনার (একটিভ করতে গেলেই ১০০ ডলার মানে ৮০০০ টাকা প্রায় লাগবে), পেইজা (১৬০০ টাকা কার্ড ফি ২মাস লাগবে আসতে), কোন কোন ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল মাষ্টারকার্ড দিয়ে থাকে তবে সেটা ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের প্রাভাইডারদের কাছ থেকে নিলে আপনি বিকাশের মাধ্যমে বা অনেক কোম্পানিতে নিজে গিয়েও হ্যান্ড ক্যাশ করে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে পারবেন।

কোনটি আমার জন্য ভাল হবে?
যদি আপনি প্রাথমিক অবস্থায় প্রেকটিস করার জন্য নিতে চান তাহলে একটা ডোমেইনের সাথে ৫১২ এমবি ডিস্ক স্পেস মানে ফাইল মেনেজার, ৫ জিবি ব্যান্ডউইথ হলেই যথেষ্ট প্রেকটিস করার জন্য। যদি ব্লগ এর জন্য নিতে চান তাহলে প্রাথমিক অবস্থায় ১ জিবি ডিস্ক স্পেস ১০ জিবি ব্যান্ডউইথ দিয়ে স্টার্ট করতে পারেন বর্তমানে সব কোম্পানিই আপগ্রেড করার সুবিধা দিয়ে থাকে যখন ভিজিটর বারবে বা ডিস্ক স্পেস বেশি প্রয়োজন হবে তখন আপগ্রেড করে নিতে পারেন আর যদি ই-কমার্স সাইট বানাতে চান তাহলে ভিপিএস হোস্টিং নিতে হবে।

বিদেশী কোম্পানী ভাল হবে নাকি দেশী?
যদি শুধু প্রেকটিস করার জন্য নিতে চান তাহলে বিডি থেকে নিতে পারেন। ভেবে দেখেন একটা ওয়েবসাইট কিন্তু একদিনের জন্য না যদি আপনি দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্লগ বা ই-কমার্স সাইট বানিয়ে গুগল এডসেন্স নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে অবশ্যই ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে হবে আপনি যে ডোমেইন হোস্টিং নিবেন সেটার মেয়াদ শেষ হবার পর রিনিউ করতে হবে যদি কোন কারনে রিনিউ করতে না পারেন তাহলে আপনার স্বাদের ওয়েবসাইটটাই চলে যাবে তাই ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে হবে যদিও ডোমেইন হোস্টিং ট্রান্সফার করার পদ্ধতি আছে তবে রিনিউ করার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। বাংলাদেশে পূর্বে অনেক কোম্পানী ছিল তারা বিদেশী কোম্পানী থেকে রিসেলার মানে পাইকারী দামে নিয়ে ডোমেইন হোস্টিং সেল করত কিন্তু বছর দুয়েক পার হতেই তাদের ওয়েবসাইট সহ বিদায় নিয়ে নিল যদি এরকম হয় তাহলেত সবই যাবে তবে অনেকগুলো ভালো কোম্পানী আছে যারা ৮-১০ বছর যাবত সফলতার সাথে ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইড করছে তাদের কাছ থেকে নিতে পারেন। এখন আপিনিই বিবেচনা করেন আপনি কোথা থেকে নিবেন তবে আমি রিকমেন্ড করব যদি আপনার ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথড থাকে তাহলে বিদেশী কোম্পানী থেকে নিতে পারেন কারন তারা আপনার সাথে কোন দুই নাম্বারি করবেনা, আপনার সাইট ডাউন থাকবেনা এবং আপনার একাউন্ট ওয়েবসাইট সিকিউর থাকবে। বিডি থেকে নিলে ডাউন থাকার সম্ভাবনা থাকবে।

আজকের লিখাই আমি আসলে চেষ্টা করেছি আপনাদের মনের সকল প্রশ্ন গুলার জবাব দিতে । জানিনা কতটুকু দিতে পেরেছি। আশা করব আমাকে আপনারা জানাবেন কমেন্ট করে । ধন্যবাদ।

আপনার হাতের আঙ্গুল এরকম হয়েছে কখনও?



আপনার হাতের আঙ্গুল এরকম হয়েছে কখনও?

বেশীক্ষণ ধরে গোসল করলে কিংবা পানির কাজ করলে নিশ্চয়ই লক্ষ্য করছেন আঙুলের ডগার চামড়া কুঁচকে গিয়েছে। প্রায় প্রত্যেকেই এই বিষয়টি জানেন। কিন্তু এই চামড়া কুঁচকে যাওয়ার মূল কারণ জানেন কি? তাহলে জেনে রাখুন, আসলে কিন্তু চামড়াটা কুঁচকে যায় না। বরং ঘটে অন্য একটি ঘটনা! এবং আমাদের মনে হয় যে চামড়া কুঁচকে গিয়েছে।

আমাদের দেহের চামড়া বেশ কয়টি স্তর দিয়ে তৈরি। আমাদের চামড়ার সর্বশেষ স্তরটির নাম এপিডারমিস। এই এপিডারমিস থেকে একধরনের তৈলাক্ত পদার্থ নির্গত হয় যার নাম সেবাম। এই সেবাম আমাদের চামড়ার জন্য একটি প্রতিরক্ষা পর্দার মতো তৈরি করে।

আমরা যখন কাঁচ কিংবা অন্যান্য মসৃণ কোনো তল স্পর্শ করি তখন আমাদের হাতের ছাপ বসে যায় সেখানে, আমাদের হাত পরিস্কার থাকলেও এটি হয়ে থাকে। এই তৈলাক্ত ছাপই সেবাম। সেবামের কারণেই এই কাজটি হয়ে থাকে।

যখন আমরা কিছু সময় পানি ধরি বা পানির সংস্পর্শে থাকি তখন এই সেবামের কারণে পানি আমাদের চামড়ার ভেতরের স্তরে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু বেশি সময় ধরে পানি ধরলে আমাদের হাতের এই সেবাম চলে যায় এবং চামড়ার ভিতরে পানি প্রবেশ করে।

অর্থাৎ আমাদের চামড়া পানি শোষণ করে এবং এপিডারমিসের ভেতরের স্তর ডারমিসে প্রবেশ করে। তখন যে যে স্থানগুলোতে ডারমিস ও এপিডারমিসের মধ্যকার বন্ধন থাকে না সেসব স্থান পানি শোষণ করে ফুলে যায় এবং যে যে স্থানগুলোতে ডারমিস ও এপিডারমিসের মধ্যকার বন্ধন থাকে সেসব স্থান আগের মতোই থাকে। তাই আমাদের কাছে চামড়া কুঁচকে গিয়েছে বলে মনে হয়।

বিজ্ঞান আরো প্রমান করেছে এই কুচকে যাওয়াতে আমরা ভেজা অবস্থায় কোনো কিছু গ্রিপ করতে পারি সহজে।নচেত যারা পানি কেন্দ্রীয় বা ডুবুরির কাজ করেন তাদের জন্য ধরা বা কাজ করা কঠিন হতো।

আরো বিস্তারিত পড়তে গুগলে সার্চ করতে পারেন।ছবি সহ বিস্তারিত গবেষনা এসেছে।মজার ব্যপার হলো ১৯৩০ সালের দিকেই এ বিষয়ে মানুষ মোটামুটি বুঝে ফেলেছিল।এবং ভাঁজ হবার সুফল জানত!যাদের স্নায়ু কাজ করেনা(হাতের) সারাদিন পানিতে হাত ভিজিয়ে রাখলেও ভাজ হবেনা! সুবহানাল্লাহ। অযথা বলে আমাদের শরীরে কিছুই নেই।।

fb.com/abdulhimd.saifullah


বিষয়ঃ কম্পিউটার এর প্রয়োজনীয়তা। 



প্রেজেন্টেশন পোস্ট - ১৮

বিষয়ঃ কম্পিউটার এর প্রয়োজনীয়তা।

🎈🎈কম্পিউটার আমাদের সভ্য যুগকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। একটা মাউস ক্লিক করে এখন কত কাজ করে ফেলা যায় ঘরে বা অফিসে বসেই।

কম্পিউটারের বাংলা হলো হিসাব রক্ষক যন্ত্র কিন্তু শুধু কি হিসাব নিকাশ? গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জমা রাখা। ডকুমেন্ট নিরাপদে রাখার হাজার কৌশল আছে কম্পিউটারে। 📂

🖌🖌গ্রাফিক্স ডিজাইন, লগো তৈরী, ব্যানার ডিজাইন পেইজ মেনেজমেন্ট, ওয়েভসাইট ডেভলাপ, HTML, আর্ট, যে কোনো ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যবহার করে এখন এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো সুন্দর ভাবে করা যায় একটী কম্পিউটার দিয়ে।

📍মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ডকুমেন্ট তৈরির সফটওয়্যার। এখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল রেডি করা যায়।
পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে প্রেজেন্টেশনের স্লাইড রেডি করতে হয়। 🗂

✨আধুনিক কম্পিউটারে ১০০ বিলিয়ন বিট তথ্য জমা করতে পারে। তাহলে বুঝা যাচ্ছে এটি কত শক্তিশালী৷

💥এছাড়াও একটি কম্পিউটার ইন্টারনেট সংযোগ সহ হয়ে উঠে একটা পাওয়ার প্যাক মেশিন। যেখানে মানুষের প্রয়োজনীয় সকল জিনিস অনেক সহজ করে দেয়। যেমনঃ গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক নানান এপ এবং সফটওয়ার আছে।

ছবি ও ভিডিওগ্রাফি এডিটিং, ইভেন্ট প্ল্যান, গেমিং, 🎮 গান🎵 এবং ভিডিও🎥 দেখা আরো ব্যবহার আছে এই ছোট্ট যন্ত্রের৷

💸💸বর্তমান ই-কমার্স ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে কম্পিউটার এবং ইন্টার পাওয়ারকে কাজে লাগিয়ে। দেশজুড়ে রয়েছে ফ্রি ল্যান্সার, আউট সোর্সার। যারা নিজের ঘরে বসে বাইরের মানুষের কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।💸💸💷💶💵

পড়াশুনাও এখন কম্পিউটারে চলে। আন্তর্জাতিক অনেক ট্রেইনিং, কোর্স, বা বিশ্বমানে ক্লাস করা সম্ভব কম্পিউটারের মাধ্যমে। 📝📝

আসলে কম্পিউটারের প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করা যাবে না। ডিজিটাল জগৎ এখন কম্পিউটিং পাওয়ার নিয়ে আগাচ্ছে। 🌍

ধন্যবাদ৷

দোলা রহমান
নারায়ণগঞ্জ থেকে।



লেখকঃ Facebook 

স্বপ্ন যখন উদ্যোক্তা হবো।




স্বপ্ন যখন উদ্যোক্তা হবো।

যারা নতুন শুরু করতে চলেছেন তাদের জন্য পরিপূর্ন গাইড লাইন-০১

টানা গরমের পরে আজ যখন বৃষ্টি আমাদের মনে একটু প্রশান্তির ছোয়া দিয়েছে তখন ভাবলাম এই টপিক টি লিখে ফেলি।

আমরা অনেকেই এই গ্রুপে আছি নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদেশ্য নিয়ে।তাই আমাদের আসলে জানা উচিত কিভাবে শুরু করবো আমরা।

👍 প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নির্বাচন:
সবার আগে চিন্তা করতে হবে আপনি কি নিয়ে কাজ করবেন।
যে পন্য নিয়ে কাজ করতে চলেছেন সেটি নিয়ে কি নিজে লেখাপড়া করেছেন?
নাকি কেউ বেশ লাভবান হয়েছে বা নাম করেছে দেখে আপনি ও সেই রাস্তায় হাঁটতে চলেছেন?
এমন হলে শুরু না করাই ভালো।
কারন একটা ২০ টাকা দামের পন্য বেঁচে দেখলেন যে ১০ টাকা লাভ আর তাতেই সব টাকার ঐ পন্য কিনে আনলেন এবং দেখা গেলো কি যে ঐ পন্য মাসে একটা সেল হয় বা ১০ টা।
তাহলে লাভ কি দাঁড়ালো?
আগে পন্যের বাজার চাহিদা মাপুন।
নতুনত্ব আনার প্ল্যানিং করুন।

👍 নাম নির্বাচন:
প্রোডাক্ট নির্বাচন করার পরে আমাদের করনীয় হলো সঠিক নাম নির্বাচন।
এই নাম টাই আজীবন ব্যাবহার করবেন
এই নামেই হবে ফেসবুক পেইজ
ও ভবিষ্যৎ ই-কমার্স সাইট যার জন্য কিনতে হবে ডোমেইন।তাই নাম বির্বাচনের আগে নিম্নোক্ত ধাপ সমুহ পার করুন।

~ নাম টি নির্বাচনের সময় দেখুন এটি পেজ সার্চে আসবে কিনা?
~ ওয়েব সাইটে SEO তে র‍্যাংক করবে কিনা।
~ এই সেইম নামে কারো ডোমেইন কেনা আছে কিনা।

এই গুলি ভেবে তারপরে কাজে নামুন।

একটি উদাহরন-
ধরুন কেউ বাংলাদেশি হোম মেইড ফুড নিয়ে বিজনেস করতে চাইছেন।
কিন্তু তিনি নাম রাখছেন তার নামের সাথে কিচেন বা কিছু যোগ করে
লাইক tani's kitchen/audri's haven/jara's food
আমার প্রশ্ন হলো মানুষ ফেসবুকে বা গুগলে তো আপনার নাম লিখে সার্চ করবে না কারন আপনার নাম তো তারা জানে না।
তাই নাম নির্বাচনে কী-ওয়ার্ডে গুরুত্ব দিন।
এমন নাম দিন যেন কী-ওয়ার্ড সার্চে আসে।
লাইক- Home Cuisine,BD Raw Food. Take Off Food

এগুলির কী-ওয়ার্ড দামি।
কীভাবে দেখুন-
আমি হোম মেইড ফুড চাইলে হোম লিখবো কিংবা ফুড
তাই নামে এগুলি থাকলে সার্চ রেজাল্ট ভালো হবে।

👍 লগো তৈরি:
ব্যাবসা শুরুর আগেই তিনটি কাজে সময় দিন।
♥ নাম
♥ ডোমেইন
♥ লগো

এই তিনটি ইনভেষ্ট মেন্ট আজীবনের।
তাই লগো মেকার বা ফ্রী এপস দিয়ে লগো না বানিয়ে প্রফেশনাল ভাবে কাজ করুন।

আজকের পোষ্টে এই পর্যন্তই।
আগামী পর্বে স্পেসিফিক কোন কোন অংশের উপরে আপনারা জানতে চান কমেন্ট করুন।

আমি সেই ভাবে লেখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

সৌভিক
ফাউন্ডার এন্ড সি ই ও- আই সি টি কেয়ার/ ICT CARE


লেখকঃ https://www.facebook.com/md.shouvik


নতুন লগো ডিজাইনারদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ লগো ডিজাইন তত্ব



নতুন লগো ডিজাইনারদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ লগো ডিজাইন তত্ব

১. Simplicityঃ লগো ডিজাইনেরর ক্ষেত্রে প্রথম সূত্র হচ্ছে "Simplicity is the best identity". লগো হতে হবে সিম্পল, ইজিলি রিডেবল এবং মেমোরেবল। একটি লগো হচ্ছে একটি ব্র‍্যান্ডের পরিচিতি। লগোকে সব সময় একটা সিম্পল মার্কে রাখার চেষ্টা করুন যেন ইজিলি আইডেন্টিফাই করা যায়।
২.কালার সাইকোলজিঃ কালার সাইকোলজি অনুযায়ী লোগোর কালার নির্বাচন। মডার্ণ লোগোর ক্ষেত্রেও গ্র‍্যাডিয়েন্টে কালারগুলির সাইকোলজি এপ্লাই করা।
৩. ফন্ট সিলেকশনঃ লগোর ক্ষেত্রে ইন্ডাস্ট্রি ওয়াইজ টাইপফেস বা ফন্ট সিলেকশনও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। (ফন্ট সিলেকশন নিয়েও বিস্তারিত পোস্ট আসবে)
৪. ভিজুয়াল কন্সেপ্টঃ লোগোর ভিজুয়াল কন্সেপ্ট যেন মানুষকে আকর্ষন করে।
৫. প্রেজেন্টেশনঃ আকর্ষনীয় প্রেজেন্টেশন তৈরি করা, রিয়েলিস্টিক প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে মোকাপ ব্যবহার করার পরামর্শ রইলো।
৬. লগো ক্যাটাগরি সিলেকশনঃ লগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে লগোর ক্যাটাগরি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। একেকজন ক্রেতা একেক ক্যাটাগরির লগো পছন্দ করে থাকেন। তবে লগো ডিজাইন সেক্টরে Minimal, Versatile or Retro & Modern লগোর চাহিদা বেশী।
৭. মাইন্ড ম্যাপিংঃ লগো ডিজাইন শুরুর আগে আপনাকে অবশ্যই লগোর ভিজুয়াল কন্সেপ্ট নিয়ে রিসার্চ করতে হবে (৩-৪ ঘন্টা শুধু ওই রিলেটেড লগো দেখতে পারেন এতে করে ভালো আইডিয়া পাবেন)। তারপর পেন্সিল দিয়ে ড্রয়িং করার পর বেস্ট কন্সেপ্টটিকে ডিজিটালি কনভার্ট করতে হবে

আমার ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যারা আরো এক্সপার্ট তারা আরো কিছু মিসিং থাকলে সেগুলি ধরিয়ে দিতে পারেন। সামনে গ্রাফিক ডিজাইন রিলেটেড আরো কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্স শেয়ার করা হবে। সবাই এক্টিভ থাকুন এবং চাইলে টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখতে পারেন।

#টিম_বি_ডিজাইনো💕

লেখকঃ Facebook

Report Abuse

About Me

Tags

Search This Blog

Categories

Categories

Advertisement

40% Off

Popular Posts