আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখুন


 

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখুন

Facebook id hack কথাটা এখন প্রায়'ই শুনা যায়।

আমরা সাধারন কিছু বিষয় ফলো করলেই এই সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারবো।

Facebook-আইডি যেভাবে নিরাপদ রাখা যায়।


জন্মতারিখ:

আইডির date of birth-আপনার id হ্যাক হওয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।অনেকেই date of birth ছাড়া id hack করতে পারে না।সুতরাং id তে দেওয়া date of birth hide রাখুন।

Two factor বা login approval on.

Two factor authentication আইডি hack হওয়ার কবল থেকে রক্ষা করতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।আপনার আইডি নিরাপদ রাখতে two factor কিংবা login approval চালু রাখুন।

যেভাবে চালু করবেন:

প্রথমে ফেসবুকে ঢুকে Settings & Privacy তে যান,তারপর Security and Login এ ক্লিক করুন।অতঃপর দেখুন Use two-factor authentication নামে একটা অপশন আছে ঐখানে ক্লিক করুন।এরপর Set Up এ ক্লিক করুন।এবার দেখুন একটি ঘরে আপনার কাছে ফোন নাম্বার চাচ্ছে,ঐ ঘরে আপনার ফোন নাম্বার দিন।নাম্বার দেওয়ার পর আপনার ফোনে 6 সংখ্যার একটি কনফার্মেশন কোড যাবে।এবার কোড দিয়ে কনর্ফাম করুন two factor authentication চালু হয়ে যাবে।

Two factor-এর উপকারিতা।

যদি আপনি two factor on রাখেন,তাহলে id hack হলেও আপনার ফোনে code আসবে। তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, কেহ id তে ডুকতে চাচ্ছে।

two factor-এর সুবিধা এটাই।যখন আপনি বুঝতে পারবেন আপনার আইডিতে কেহ এক্সেস নিতে চাচ্ছে, তৎক্ষণাৎ settins থেকে personal information-এ যাবেন,নতুন email বা number থাকলে সাথে সাথে remove করে দিবেন। অথবা আপনার অ্যাকাউন্টে থাকা জিমেইলে মেসেজ যাবে সেখান থেকে আইডি নিরাপদ করবেন।

Trusted contacts on রাখা।

id তে সবসময় trusted contacts on রাখবেন।৩-৫ জন বন্ধুকে add রাখা যায়।

যেভাবে add করবেন!Settings-security and login→Choose 3 to 5 contacts লেখা দেখবেন,সেখান থেকে ৩-৫ জন close friend অথবা আপনার নিজের id add রাখবেন!


Login alerts on রাখবেন!

Settings→security and login option থেকে login alerts on করে দিবেন।এতে করে আপনার id তে কেহ ডুকতে চাইলে আপনার আইডিতে notification আসবে, মেসেঞ্জারে Message আসবে,email-এ জানিয়ে দেওয়া হবে যে কেহ আপনার আইডিতে ডুকছে। অর্থাৎ unknown device থেকে কেহ login করলে এমনটা হবে।


App passwords.

App password সব সময় দিয়ে রাখবেন! এটা সেট করে রাখলে আপনার আইডির মেইন password ভুলে গেলেও app password এর মাধম্যে আইডিতে আবার ডুকতে পারবেন।


আইডিতে নাম‌ ও জন্মতারিখ:

আইডিতে name আপনার কোন ডকুমেন্ট এর সাথে মিলিয়ে রাখবেন।নাম ও জন্মতারিখ পারলে রিয়েল কোনো passport, nid, driving­ etc ডকুমেন্টসের সাথে মিলিয়ে রাখবেন!id তে দেওয়া email ও number hide রাখবেন!otp bypass করেও id hack করা যায়, তাই Number hide রাখবেন।


3rd party apps বা link

third party কোন app install করবেন না।এইসব apps আপনার ফোনের জন্য ক্ষতিকর।

phishing link এর মাধ্যমে আপনাকে খুব সহজেই বিপদে ফেলতে পারবে।facebook ছাড়া অন্য কোথাও login করবেন না।


সর্বশেষ কথা:

আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন আপনার সর্তকতা অবলম্বন করা ব্যতীত কোনভাবেই নিরাপদ নয়। সুতরাং সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করুন।

সতর্কীকরণ:

সোর্স উল্লেখ করা ব্যতীত কপি করা নিষেধ।

সোর্স: মুসলিম টেকনিশিয়ান গ্রুপ


কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও এসইও(SEO) করবেন?

 


কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও এসইও(SEO) করবেন?

বর্তমান সময়ের সব থেকে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে ইউটিউব। ইউটিউব কে ব্যবহার করে কোন পন্য, সেবা বা বিজনেসের ব্র্যান্ডইং করাই হলো ইউটিউব মার্কেটিং। বর্তমানে যারা ই-কমার্স উদ্যোক্তা আছেন তাদের জন্য ইউটিউব সবচেয়ে বড় একটি প্লাটফর্ম। ইউটিউব পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন ও সর্ববৃহৎ ভিডিও সার্চ ইঞ্জিন। বর্তমানে ইউটিউবের জনপ্রিয়তা দিন বেড়েই চলেছে। এজন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ টুলস ইউটিউব।

এই পোস্ট টির মাধ্যমে আমরা জানবো, কিভাবে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওগুলির অনেক ভিউ পাবে এবং এবং চ্যানেলটি খুব তাড়াতাড়ি আরো বড় হবে।

Keyword Research-

ইউটিউব এসইও (YouTube SEO) এর জন্য সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্চ খুবই জরুরি। আপনি যদি আপনার ভিডিও এর জন্য সঠিক কীওয়ার্ড নির্বাচন না করেন সেক্ষেত্রে আপনার ইউটিউব ভিডিওটি সঠিক এবং বেশি ভিউ পাবে না তাই সে ক্ষেত্রে আমাদের উচিত কোনো ভিডিও আপলোড করার আগে সঠিক ভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে নেওয়া।

তবে, ইউটিউব এসইও(YouTube SEO) এর কীওয়ার্ড আর অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন(Other Search Engines SEO) এসইও এর কীওয়ার্ড রিসার্চ একটু ব্যাতিক্রম। এর জন্য অনলাইনে যেসব টুলস আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো VidIQ, TubeBuddy, keywordtool.io/youtube, ytran k.

TubeBuddy, VidIQ এর মধ্যে থাকা কীওয়ার্ড এক্সপ্লোরারের ক্লিক করে আপনি কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন এবং অপটিমাইজেশন স্কোর সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখাবে।

এছাড়াও কিওয়ার্ড রিসার্চের জন্য আপনি ইউটিউব এর অটো-সাজেস্ট(youtube auto suggest keyword) অপশন ব্যবহার করতে পারেন আপনি যদি কোনো একটি কিওয়ার্ড ইউটিউব সার্চ বক্সে টাইপ করেন তখন ইউটিউব আপনা থেকেই অনেকগুলি সাজেশন আপনাকে দেখিয়ে দেয়।

ইউটিউব এর অটোসাজেস্ট ব্যাবহার করার সুবিধা হলো ইউটিউব অটোসাজেস্ট সব সময় ট্রেন্ডিং বিষয় যেগুলো ইউটিউবে বেশিবার সার্চ করা হয় সেই বিষয়গুলির কীওয়ার্ড দেখায়।

Choosing the right YouTube Title-

ইউটিউব এসইও এর ক্ষেত্রে কীওয়ার্ড যেমন জরুরি, ইউটিউব ভিডিও টাইটেল ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক টাইটেল আপনার ইউটিউব ভিডিও গুলো কে ভালো rank করতে সাহায্য করে।

একটি ভালো টাইটেলের বৈশিষ্ট্য অনেক কিছুই হতে পারে। এজন্য এসব বিষয় গুলর দিকে লক্ষ রাখতে পারেন, যেমনঃ- Word Balance, Headline Type, Common, Uncommon, Emotional, Power, Call to action, keyword, negative word, action, Positive word, (number)noun, Skimmability etc.

*** ইউটিউব ভিডিও এর টাইটেলে ব্রাকেট () এর ব্যাবহারও করতে পারেন প্রয়োজনে ।

Use the correct Youtube Tag

আমরা ইউটিউবে কোন ভিডিও প্লে করলে মোবাইলের স্কিনের নিচে এবং কম্পিউটারের স্কিনের ডান পাশে অনেক গুলো রিলেটেড ভিডিও এসে পড়ে এই কাইজটি প্রধানত ইউটিউবে ট্যাগ ই করে থাকে।

Suitable YouTube Description

ইউটিউবে ডেসক্রিপশন ইউটিউব এসইও এর জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ইউটিউব ডেসক্রিপশন সবসময় একশর বেশি শব্দের হওয়া উচিত এবং প্রথম ১০০টি শব্দের মধ্যে বা প্রথম একটি বা দুটি লাইনের মধ্যে আপনার টার্গেট কীওয়ার্ড থাকা উচিত। এক্ষেত্রে ইউটিউব প্রথমেই বুঝতে পারবে আপনার ভিডিও এর বিষয়বস্তু কি যা ইউটিউব সার্চ ইঞ্জিনে প্রভাব সৃষ্টি করে।

YouTube Retention Rate

ইউটিউব Retention রেট বিষয়টি ইউটিউব এসইও এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন কোন একটি ভিডিও তৈরি করছেন তখন সেই ভিডিওটি যথেষ্ট অডিয়েন্স ধরে রাখতে পারছে কিনা এটা দেখে ইউটিউব আপনার ভিডিওটির মানের সম্পর্কে সংকেত দেয়। ইউটিউব Retention Rate যত বেশি হবে, তত ভালো রাংকিং করবে আপনার ইউটিউবের ভিডিও।

ইউটিউব দর্শকদের ধরে রাখার জন্য পাঁচটি উপায়ঃ-

১. Compare your videos

২. Get on with it

৩. Make it visually engaging

৪. Make it shorter.

৫. Keep them hooked

আপনারা যদি ইউটিউবে দর্শক ধরে রাখার ৫ টি উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে কমেন্টে বলুন-

YouTube Watch Time-

ইউটিউব ওয়াচ টাইম ,ইউটিউব এসইও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। মোট কত সময়ে কত জন আপনার ভিডিও টি দেখলো সেটি ইউটিউব আপনার ভিডিও সম্পর্কে একটি ভালো সংকেত দেয়।

এজন্য ভিডিও এর সাইজ বেশি বড় হলে চেষ্টা করবেন কয়েকটি পর্বে ভিডিও করা।

YouTube Comment

আপনার ইউটিউব ভিডিওতে যদি অনেক ভালো ভালো কমেন্ট থাকে তখন ইউটিউব বুঝতে পারে আপনার ভিডিওটি যথেষ্ট engaging এবং সেক্ষেত্রে আপনার ভিডিওটি রাংকিং এ এটি অনেক সাহায্য করে। এখন এই ভালো ভালো কমেন্ট পাওয়ার জন্য আপনাকে আপনার ভিডিওতে যথেষ্ঠ পরিশ্রম করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে কখনোই স্পামিং করা যাবে না।

টিপসঃ- আপনার ভিডিও তে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব রাখতে পারেন।

Use the Unique Thumbnail-

ইউটিউব এসইও এর জন্য সঠিক Thumbnail ব্যবহার খুব জরুরি। আপনার ইউটিউব Thumbnail দেখে আপনার ভিডিওর মূল বিষয়বস্তু কি সেটি আপনার অডিয়েন্স বুঝতে পারে। ভালো Thumbnail আপনার ভিডিওতে CTR Rate বাড়াতে সাহায্য করে।

CTR rate (Click Through Rate) যত বেশি হবে আপনার ভিডিও এর ভিউ তত বাড়বে। ভালো Thumbnail তৈরির জন্য ক্যানভা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন ফটো এডিটিং টুল যার সাহায্যে সহজেই আপনারা আপনাদের ইউটিউব এর জন্য কাঙ্ক্ষিত thumbnail পেয়ে যাবেন।

Image size & resolution

We recommend your custom thumbnails: Have a resolution of 1280x720 (with minimum width of 640 pixels). Be uploaded in image formats such as JPG, GIF, or PNG. Remain under the 2MB limit.

YouTube Video Embed-

ইউটিউব ভিউ শুধু ইউটিউব সার্চ এবং ইউটিউব সাজেস্টেড ভিডিওর উপর নির্ভর করে না। আপনাদের ভিডিও গুলি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন রিলেটেড ব্লগ বা প্রডাক্ট ডেসক্রিপশন এ Embed করতে পারেন।

*** আনেক ক্রেতায় আছেন যারা সাধারণত বড় ধরণের আর্টিকেল পড়া কে পছন্দ করে না। এমন সব ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ভিডিও মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। যাতে করে খুব সহজে ব্যবহারকারীরা না পড়েও ভিডিও দেখে পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেতে পারেন। ভিডিওয়ের মাধ্যমে খুব সহজে পণ্যের গুণাগুন, বৈশিষ্ট ও ফিচার সম্পর্কে জানাতে পারবেন। ফলে দর্শকদের মধ্যে ভিডিও দেখার পর প্রডাক্ট/সার্ভিস সকল দিক সম্পর্কে আর কোন দ্বিধা থাকবে না। এমন কি, আমরা কোন কিছু পড়া বা শুনার চেয়ে দেখাকে বেশি বিশ্বাস


কিভাবে ইকমার্স বিজনেস এর নামকরন করবেন?


 

কিভাবে ইকমার্স বিজনেস এর নামকরন করবেন?


Amazon ও Sony এর নামকরনের গল্পটা বেশ মজার। এই গল্পগুলো থেকে আমরা কিছু শিক্ষা নিবো।

Jeff Bezos (CEO of Amazon) প্রথম বছরেই তার কোম্পানির নাম দুইবার পরিবর্তন করে। প্রথমে তিনি তার কম্পানির নাম রাখলেন Cadabra. এই নামটা নিয়ে তিনি প্রথম চিন্তায় পরে গেলেন যখন তার একাউন্টেন্ট তার কম্পানির নামটিকে ভুল ভাবে উচ্চারণ করে এবং বলে Cadava


এরপর তিনি তার কোম্পানির নাম রাখলেন Relentless। কিন্তু এই নামটি তার বন্ধু ও কলিগদের কাছে একটু অশুভ মনে হচ্ছিল। এরই মধ্যে সে এই নামে ডোমেইন কিনেছে এবং কোম্পানিও রেজিস্ট্রেশন করে ফেলেছে।

এরপর উনি ডিকশনারি ঘাটা শুরু করলেন। তিনি চাচ্ছিলেন তার কোম্পানির নাম ইংরেজি বর্নমালার প্রথম অক্ষর A দিয়ে শুরু হোক। Amazon নামটি তার পছন্দ হলো। যেহেতু এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী্র নাম এবং তার ব্যবসায়িক ভিশন এর সাথে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ তাই এই নামটি চুড়ান্ত করা হলো।


আপনি জানেন কি সনি কোম্পানির প্রথম নাম ছিল Tokyo Tsushin Kogyo! কোম্পানির মালিক Masaru আমেরিকায় তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সেই দেশে একবার ভিজিট করলেন। তিনি খেয়াল করলেন আমেরিকানরা তার কোম্পানির নাম ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারতেছে না।

প্রথমেই তিনি চিন্তা করলেন যে কোম্পানির নামটি কে ছোট করে TTK রাখবেন। কিন্তু সমস্যা হল টোকিও রেলওয়ে এই নামটি ইউজ করে।

এরপর তিনি চিন্তা করলেন কোম্পানির নামের প্রতিটি শব্দ থেকে দুইটা করে লেটার নিয়ে উনি নাম তৈরি করবেন। তাহলে নামটি দাঁড়াবে ‘Totsuko’ । এতেও সমাধান হলো না। দেখা গেল পশ্চিমারা এই নামটিও ঠিক মতো উচ্চারণ করতে পারছে না।

এরপর তারা সিদ্ধান্ত নিলো কোম্পানির নাম হবে Tokyo Teletech. কিন্তু কিছুদিন পরেই দেখা গেল একটি আমেরিকান কম্পানি Teletech তাদের ব্র্যান্ড নেম হিসেবে ব্যবহার করছে।

অবশেষে দুইটি ল্যাটিন শব্দের সমন্বয়ে কম্পানির নামকরণ করা হলো সনি। ১৯৪৬ সালে জন্ম নেওয়া কম্পানি ১২ বছরে পরে তাদের নাম পরিবর্তন করে ফেললো। ১৯৫৮ সালের জানুয়ারীতে সনি ব্রান্ডের প্রথম প্রোডাক্ট বাজারে আসলো ( তথ্যঃ উইকিপিডিয়া)

এবার আসি আপনি ইকমার্স কম্পানির নাম ঠিক করার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় খেয়াল রাখবেন।


#1 উচ্চারন ও বানানে সামজস্যঃ

------------------------------------------------------------

এটি একটি ভয়াবহ সমস্যা। যদি আপনার কোম্পানির নাম মানুষ উচ্চারণ করতে ভুল করে, তাহলে লিখতেও ভুল করবে। আর ভুলভাল উচ্চারণ করলে বিষয়টি কেমন দাঁড়াবে? সনি ও অ্যামাজনের গল্প থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। দুইটি কোম্পানি তাদের নামের উচ্চারণ নিয়ে ঝামেলায় পড়েছিল। তাই নাম এমন হওয়া উচিত যাতে করে কেউ ভুল উচ্চারণ না করে। একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। Crashedeal এর সাথে আমি প্রায় এক বছর কাজ করি। ওনাদের হয়ে নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে একবার একটা প্রোগ্রাম করতে গেলাম। খেয়াল করলাম নামের উচ্চারন কেউ বলে “ক্রাশডিল” কেউ বলে “ক্রাশ-ই-ডিল” এবং তারা প্লে স্টোরে তাদের অ্যাপ ইন্সটল করার জন্য যখন সার্চ করছিল তখন বেশিরভাগ স্টুডেন্ট CrashDeal লিখতেছিলো। প্রতিষ্ঠানটি তাদের নাম যেভাবে উচ্চারণ করে বানানোর সাথে তার অমিল আছে।


#2 নাম শুনে মনে রাখাঃ

------------------------------------------------------------

আপনার কোম্পানির নাম শুনে মানুষ যেন মনে রাখতে পারে। নামটি যদি খুব বেশি কঠিন হয় তাহলে মানুষ মনে রাখতে পারবে না। অনেকেই হয়তো ফেসবুকে আপনার কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখবে, এবং পরবর্তীতে মনে করার চেষ্টা করবে কারা যেন অনলাইনে মুরগির ডিম বিক্রি করে? যদি নামটি চাল ডালের মতো সহজ হয় তাহলে মানুষের মনে থাকবে। আর আপনি যদি নাম রাখেন মুগাই ( মুরগি থেকে মুগাই 📷:p )। তাহলে মানুষের মনে থাকবে না এটাই স্বাভাবিক।


#3 কাস্টমারের কথা চিন্তা করুনঃ

------------------------------------------------------------

alstroemeria এই শব্দটি উচ্চারণ করার চেষ্টা করে দেখুন তো। আমি নিশ্চিত আপনি উচ্চারণ করতে সমস্যায় পড়েছেন। এটি একটি ফুলের নাম। আমার এক ছোট ভাই তার ইকমার্সের নাম রেখেছে alstroemeria। হয়তো এটি তার পছন্দের ফুলের নাম বা এই ফুল তার গার্লফ্রেন্ড তাকে দিয়েছিলো! কিন্তু এই নামটি মনে রাখাও কঠিন উচ্চারণ করাও কঠিন। আমি ২০১৬ সালে যখন আমার সফটওয়ার কম্পানির নামকরন করি তখন CodeFix নাম রেখেছিলাম। চিন্তা করলাম আমরা তো Code লিখে সফটওয়ার বানাবো, আর প্রতিনিয়ত যে সমস্যায় পরবো সেটা Fix করবো। তাই নাম রাখলাম Codefix । এই নামটি মানুষ উচ্চারন করে “Kodi Fix”, “Kodex” ইত্যাদি। আমাদের উচিত ছিলো কাস্টমারে কথা মাথায় রেখে নামকরন করা। তাই যখন নামকরণ করবেন আপনার কাস্টমারের কথা চিন্তা করুন।


#4 এক শব্দে নামঃ

------------------------------------------------------------

নাম এক শব্দে হওয়া বেস্ট। যদি কোন কারনে দুই শব্দে রাখতে হয় রাখেন। তবে এর বেশি না। খেয়াল করুন আমরা যেই ব্রান্ডগুলোর নাম সচরাচর বলে থাকি সেগুলোর নাম এক বা দুই শব্দে। যেমন আড়ং, দারাজ, গুগোল, চালডাল।

ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে হয়ে গেছে রকেট। কারণ এই নামটি অনেক লম্বা। বিকাশ সহজে মনে রাখা যায়। তাই তারাও নাম ছোট করে রেখে দিলে রকেট।


#5 নামে শুনে কাজ বুঝতে পারাঃ

------------------------------------------------------------

আপনার প্রতিষ্ঠান কি করে বা কি বিক্রি করে এটা যেন মানুষ নাম শুনে বুঝতে পারে। যেমন চালডাল এর নাম শুনলেই আপনি নিশ্চয়ই ধারণা করতে পারছেন তারা কি বিক্রি করে, সাজগোজ এর নাম শুনে আপনি বুঝতে পারছেন তারা কি ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি করে। যদি নাম শুনে বোঝা যায় আপনি কিসের ব্যবসায়ী তাহলে, আপনি যেই ধরনের কাস্টমারদেরকে টার্গেট করছেন তারা সহজেই আপনার নাম মনে রাখবে। চাল-ডালের নাম আমার মাথায় গেঁথে গেছে আর সাজগোজ আমার বউয়ের মাথায়।


#6 পরিচিত কোন ব্রান্ডের সাথে যাতে মিলে না যায়ঃ

------------------------------------------------------------

নাম যদি বাজারের অনেক পপুলার কোন ব্রান্ডের নাম এর কাছাকাছি হয় তাহলে বিশাল সমস্যা। কিছুদিন আগে Startup Club এর একটা ইভেন্ট এ গিয়েছিলাম। ডিনারের সময় জানতে পারলাম প্লেটে যে আচার দেওয়া হয়েছে সেটা স্পন্সর করেছে “রকমারি আচার”। কিন্তু অনেকেই মনে করে বসেছে এটা rokomari.com থেকে এসেছে। খাওয়া শেষে রকমারি আচারের উদ্যোগতা যখন আমাকে একটা ভিডিও টেস্টিমোনিয়াল দিতে বললেন, তখন আমি ভুলে rokomari.com বলে ফেলেছিলাম। আমি ততক্ষণে জানতাম এটা রকমারি আচার। সমস্যাটা হলো আমার মাথায় rokomari.com আগে থেকেই ঢোকানো আছে।


ডোমেইন নাম খোজাঃ

------------------------------

এতক্ষণ আপনি জানলেন কিভাবে কোম্পানির নামের ব্যাপারে চিন্তা করবেন। এবার যে নামটি চিন্তা করছেন সেই নামে ডোমেইন খালি আছে কিনা সেটা দেখতে হবে। এর সাথে সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই নামের ইউজারনেম খালি আছে কিনা সেটা চেক করতে হবে। যখন কোন নাম মাথায় আসবে তখন https://www.namecheckr.com/ এ গিয়ে নামটি লিখে সার্চ করুন। এই সাইটটি আপনাকে বলে দিবে এই নামে ডোমেইন খালি আছে কিনা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউজারনেম খালি আছে কিনা। আলাদা আলাদা ভাবে চেক করার ঝামেলা নাই।

যদি দেখেন .com ডোমেইন পাচ্ছেন না, তাহলে .co, .net এসবের দিকে যেতে পারেন। অথবা .com.bd ডোমেইন বিটিসিএল থেকে নিতে পারেন। কিভাবে নিবেন এটা নিয়ে অন্য একদিন লিখবো। অনেকে বলে এটা খুব ঝামেলার ইত্যাদি। ব্যাপারটা মোটেই সেরকম না। আমি গত মাসে আমার ২ ইকমার্স ক্লায়েন্টের জন্য ডোমেইন কিনেছি। ২ বছরের জন্য রেজিস্ট্রেসন ফি ১৮৪০ টাকা।


নামের অগ্নি পরীক্ষাঃ

------------------------------

আপনি উপরের সব বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করে একটা নাম ঠিক করে ফেলেছেন। নামটি কতটুকু ঠিক আছে সেটা জানার জন্য পরীক্ষা করতে হবে। অন্ততপক্ষে পরিচিত 20 জন মানুষকে আপনার ঠিক করা নামটি বলুন। এবং তাদের ফিডব্যাক জানতে চান। তাদের কাছে নামটির সহজ নাকি কঠিন। নামটি শোনার পর তারা উচ্চারণ কিভাবে করে। তাদেরকে সেই নামের বানান জিজ্ঞাসা করুন। জিজ্ঞাসা করতে পারেন নাম শুনে তাদের কি মনে হয়, আপনি কিসের ব্যবসায় নামছেন। সবার ফিডব্যাক গুলো নোট করুন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিন।



নাম-ই কি সব?

------------------------------

উত্তরঃ না।

Name does not matter, Customer Experience Matters


ব্যবসার নাম সুন্দর হলে আপনি বেশ কিছু সুবিধা পাবেন। আর নামে সমস্যা থাকলে আপনার কাস্টমার এবং আপনি বেশ কিছু অসুবিধায় পরবেন।

আপনি যদি ভাল সার্ভিস দেন, আপনার প্রোডাক্ট যদি ভাল হয় তাহলে নাম কোন ব্যাপার না।

ধরেন আপনি হানিফ গাড়িতে ঢাকা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে গেছেন। এসি গাড়ি কিন্তু রাস্তায় আপনার বেশ গরম লেগেছে, এসি ঠিকমত কাজ করেনা। গাড়ি অতি দ্রুত গতিতে চলার কারণে আপনার বেশ ভয় হচ্ছিল যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কিছুদিন পরে আপনি “আব্দুল বাকের ট্রান্সপোর্ট” নামে একটি গাড়িতে আবারও কক্সবাজার গেলেন। এবার আপনি কোন সমস্যা বোধ করেননি।

আপনি আব্দুল বাকের ট্রান্সপোর্ট এর কথাই মনে রাখবেন। আপনার কাছে সুন্দর নাম ব্যাপারনা সার্ভিস কেমন সেটা মূল ব্যাপার।

আপনার ই-কমার্স ব্যবসার নাম যেমনই হোক না কেন আপনি যদি কাস্টমারকে ভালো প্রোডাক্ট, সুলভ মূল্য, দ্রুত সময়ে ডেলিভারি দিতে পারেন তাহলে কাস্টমার আপনাকে অবশ্যই মনে রাখবে।


নাম পরিবর্তন

------------------------------

সবকিছু মিলিয়ে আপনার যদি মনে হয় আপনার ব্যবসার এখনকার নাম পরিবর্তন করা উচিত, তাহলে আপনি করতে পারেন।

একটেল নাম পরিবর্তন করে হয়ে গেছে রবি। ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং হয়ে গেছে রকেট।

নাম পরিবর্তনের খরচ আছে। আপনার কাছে যদি ব্র্যান্ডিং করার জন্য টাকা থাকে তাহলে নাম পরিবর্তন কোন ব্যাপার না। কারণ নাম পরিবর্তন করে মানুষকে তো জানাতে হবে।

তবে নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এখন ফেসবুক একটি সমস্যা তৈরী করেছে। ধরেন আপনার ফেসবুক পেইজে ১০ হাজার লাইক আছে। নাম পরিবর্তন করার সময় ফেসবুক পেইজের নামও পরিবর্তন করতে হবে। যদি নতুন নাম ও পূর্বের নামের কাছাকাছি না হয় তাহলে ফেসবুক আপনার পেইজের নাম পরিবর্তন করতে দিবে না।


আসুন এই পোস্টটি শেয়ার করে সকলকে জানাতে সাহায্য করি। ‌

When you are applying knowledge it's good

When you are spreading it to apply together it's great

Share knowledge, grow together



© Arifuzzaman Arif

Executive Member, Ecab Member's Welfare Standing Committee

Co-founder, Codefix ( Ecommerce website design & development service provider) 


#EcommerceWebsite #EcommerceDomain #EcommerceBusiness #EcommerceName


লোগো ডিজাইন এর জন্য বেস্ট ১০ টি ফন্ট : ডাউনলোড লিংক সহ 


 

লোগো ডিজাইন এর জন্য বেস্ট ১০ টি ফন্ট : ডাউনলোড লিংক সহ 


একটি লোগো ডিজাইন এ ৫০% সাকসেস রেট ডিপেন্ড করে এর ফন্ট সিলেকশন এর উপর , এছাড়া আপনারা একটু লক্ষ করলেই দেখতে পারবেন অনেক অনেক ভাল ভাল ব্র্যান্ড তাদের ব্র্যান্ড আইডেন্টিটির জন্য শুধু মাত্র ফন্ট ই ব্যবহার করেছেন। সুতরাং একজন ভাল লোগো ডিজাইনার হিসেবে ভাল ফন্ট সিলেকশন অবশ্য কর্তব্য। 



আমাদের পিসি তে হাজার হাজার ফন্ট থাকলেও দেখা যায় আমরা শুধুমাত্র বেশ কিছু স্পেসিফিক ফন্ট ইউজ করে থাকি লোগো ডিজাইন এর জন্য , এই পোস্ট এ আমি আপনাদের বহুল প্রচলিত বেস্ট কিছু ফন্ট এর সাজেস্ট করবো , আসা করি আপনাদের কিছুটা হেল্প হবে। 


১. Nexa™

ডাউনলোড লিংক : https://www.dafontfree.io/nexa-font-free/



২. Poppins

ডাউনলোড লিংক : https://www.fontsquirrel.com/fonts/poppins



৩.Ubuntu

ডাউনলোড লিংক : https://www.fontsquirrel.com/fonts/ubuntu



৪.Gilroy

ডাউনলোড লিংক : https://www.dafontfree.io/gilroy-font-family/



৫.Proxima Nova

ডাউনলোড লিংক : https://www.dafontfree.io/proxima-nova-font-free/



৬.FF DIN®

ডাউনলোড লিংক : https://www.dafontfree.io/ff-din-font-family/



৭.Rubik ( রাউন্ডেড )

ডাউনলোড লিংক : https://www.fontsquirrel.com/fonts/rubik



৮.Montserrat

ডাউনলোড লিংক : https://www.fontsquirrel.com/fonts/montserrat



৯. Raleway

ডাউনলোড লিংক : https://www.fontsquirrel.com/fonts/raleway



১০.Bebas Neue

ডাউনলোড লিংক : https://fonts.google.com/specimen/Bebas+Neue


সবাইকে অনেক অনেক বেশি থ্যাংকস :)



চলুন ইনস্টাগ্রাম এ কানেক্টেড হয়ে থাকি : https://www.instagram.com/vect_plus/


মোবাইলে পর্নসাইট বন্ধ করার উপায়...


 

মোবাইলে পর্নসাইট বন্ধ করার উপায়...


এই যুগে প্রায় প্রতিটি ঘরে বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন ঘুরে বেড়ায়। গেইম, কার্টুন, ইউটিউব ইত্যাদি অজুহাতে মোবাইল এখন অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে জায়গা করে নিয়েছে। এদিক সেদিক ক্লিক করতেই অজান্তে নানান অ্যাডাল্ট সাইট ওপেন হয়ে যাচ্ছে। যা খুবই বিব্রতকর এবং বাচ্চাদের মানসিক বিকাশের জন্য খুবই ভয়ংকর। 


এই বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি সেটিংস করে নিতে পারেন। এই সেটিংস করা থাকলে আপনার মোবাইল দিয়ে কখনোই আজেবাজে সাইট চালু হবে না।


অটোমেটিক অ্যাডাল্ট সাইট ব্লক হয়ে যাবে। সার্চ করলেও বাজে সাইট খুঁজে পাবেন না। আপনার ঘরের মোবাইলগুলোতে সেটিংসটি করে রাখুন। কিছুটা হলেও নিশ্চিন্তে থাকা যাবে। নিজে করুন, অন্যকে জানিয়ে দিন। আগামীপ্রজন্ম সুস্থ মস্তিষ্কে বড় হয়ে উঠুক।

               

সেটিংসের বিস্তারিতঃ 

আসুন জেনে নেই, কীভাবে ফোনের সেটিংস থেকে সকল প্রকার পর্নসাইট একবারে বন্ধ করে দিবেন। এটি করলে গুগলে সার্চ করে কোনো পর্নসাইট খুঁজে পাওয়া যাবে না। 


শুরুতে আপনাকে ফোনের সেটিংসের wireless connections অপশনে যেতে হবে। সেখানে যাওয়ার পর, Private DNS অপশনটিতে যেতে হবে। তবে বলে রাখা ভালো যে, কিছু কিছু ফোনে Private DNS অপশনটি অন্য জায়গায়ও থাকতে পারে। পর্নসাইট বন্ধ করার জন্য এই Private DNS অপশনটিই প্রয়োজন। তাই, আপনার ফোনের সেটিংস থেকে Private DNS অপশনটি খুঁজে বের করুন। এরপর, Private DNS অপশনটিতে ক্লিক করার পর তিনটি অপশন পাবেন। এর মধ্যে একটি অপশনে ক্লিক করলে এডিট করা যায়। যেটিতে এডিট করা যায়, সেটিতে adult-filter-dns.cleanbrowsing.org লিখে সেভ করে দিন।


এতটুকু করলেই সমস্ত পর্নসাইট আপনার ফোন থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। কোনো রকম পর্নসাইট আর আপনার ফোন থেকে খুঁজে পাওয়া যাবে নাl ইনশাআল্লাহ! 


নিচে একটি ফোনে করে দেখানো হয়েছে। এই ফোনটিতে এডিট অপশনটি Designated Private DNS নামে দেওয়া ছিল। কিছু কিছু ফোনে এটি Private DNS provider hostname নামেও থাকে।


Courtesy: 

Police Cyber Support for Women - PCSW

এডমুক্ত ফাইল শেয়ারিং এর জন্য বেষ্ট এপ

 


এডমুক্ত ফাইল শেয়ারিং এর জন্য বেষ্ট এপ

Android এ ফাইল শেয়ারিং এর জন্য কোন এপের নাম

আসলেই মনে পড়ে যায় SHAREit এর কথা।


সবই ঠিকাছে কিন্তু একটা জায়গায়তেই মেজাজটা গরম

হয়ে যায়। তা হচ্ছে আজেবাজে কুরুচিপূর্ণ এড।


তো এটার কি কোন সমাধান নেই??


এটার সমাধান SHAREit কর্তৃপক্ষই দিয়েছিলো.. গুগল

প্লে স্টোরে SHAREit Lite এপ লঞ্চ করে। কিন্তু এখন

সরাসরি সার্চ করলে পাওয়া যায়না প্লে স্টোরে।

গুগলে সার্চ করলে প্লে স্টোরের লিংক আসে।

(অনেকের নাকি আবার আসেনা)


সুবির্থে নিচে লিংক দিয়ে দিচ্ছি।

সেখান থেকে খুব সহজে ডাউনলোড করা যাবে।


যাহোক। ২ টা কারণে SHAREit Lite আমার কাছে

সবচেয়ে বেষ্ট মনে হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে।


১. এডের কোন ঝামেলা নেই। সুন্দর ইন্টারফেস।


২. নরমাল SHAREit এ কোন ফাইল সিকেক্ট করে

তারপর যাকে দিচ্ছেন তার ডিভাইসের সাথে কানেক্ট

করতে হয়। তো অনেকসময় দেখা যায় ঝামেলা করে 

কানেক্ট হতে। কিন্তু SHAREit Lite এ সর্বপ্রথম 

কানেক্ট করতে হয় তারপর আরামসে শেয়ার করলেন। 


(হ্যাঁ SHAREit Lite টু SHAREit/Lite 

দুটাতেই ফাইল শেয়ার করা যাবে। সমস্যা নেই)


লাইট হলে কি। কথায় আছে

ছোট মরিচের ঝাল বেশি 🔥


তো আর দেরি কেনো। 

ডাউনলোড করতে click করুন!


 



 কিছু প্রয়োজনীয় ডাউনলোডার অ্যাপস ও লিংক:


আমরা প্রায় সময়ই দেখতে পাই অনেকে ইউটিউব কিংবা ফেসবুক থেকে কিভাবে ভিডিও ডাউনলোড করা যায় এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন। আজকে আপনাদের জন্য কিছু উপকারি ডাউনলোডার অ্যাপস ও সাইটের লিংক শেয়ার করব।


ডাউনলোডার অ্যাপস!


Snaptube


https://drive.google.com/file/d/12gpElbxmfpNNknmyhN-PnmKG30CBBQg8/view?usp=drivesdk


Videoder


https://drive.google.com/file/d/11Vr6_sM7q3sxpwlI7HymTQ7FmK2nKpG7/view?usp=drivesdk


TubeMate


https://drive.google.com/file/d/1A3X_Y0taC2Vfsa5aQpDcowIMxpVDpLaO/view?usp=drivesdk


Vidmate


Vidmate-লিংক সংগ্রহে আছে। তবে ভিটমেট অ্যাপস এ অশ্লীলতা বেশি হওয়ার কারণে জনসম্মুখে শেয়ার করিনি। কারো প্রয়োজন হলে ইনবক্সে নক দিবেন।


ডাউনলোডার লিঙ্ক:


যারা ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য আলাদা কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলের ঝামেলা এড়াতে চান তাদের জন্য এই পদ্ধতি কার্যকর!


ইন্টারনেটে বিভিন্ন ফ্রি ওয়েবসাইট পাওয়া যায়।যেগুলোর সাহায্যে আপনি ভিডিও লিংক কপি পেস্ট করে আপনার কাঙ্খিত ভিডিওটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এর সবকিছুই আপনি করতে পারবেন কোনো এক্সট্রা সফটওয়্যার ইন্সটলের ঝামেলা ছাড়াই! এরকম কিছু ভিডিও ডাউনলোডার লিংক নিম্নে দেয়া হল।


ইনশা-আল্লাহ


দ্র. স্টার-(*) যুক্ত স্থানে ডট-(.) যুক্ত করতে হবে।


VDYouTub:


https://www.vdyoutube*com/


Save-Video:


https://www.save-video*com/


YoutubeMonkeyDownloader:


https://youtubemonkey*com/


SaveFrom.net:


http://savefrom*net/


CONV:


https://www.convyoutube*com/en


বিশেষ দ্রষ্টব্য:


আপনার পছন্দমত যেকোনো সাইট কিংবা অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অ্যাপস হিসেবে আমি "স্নাপটিউব" ব্যবহার করি। লিংক হিসেবে saveform.net ব্যবহার করি।


সতর্কীকরণ:


সোর্স উল্লেখ করা ব্যতীত কপি করা নিষেধ।


সোর্সঃ মুসলিম টেকনিশিয়ান গ্রুপ





YouTube Vanced এপের সুবিধাসমূহ 🔵 কোনো ধরনের এড নেই!

 


YouTube Vanced এপের সুবিধাসমূহ...


🔵 কোনো ধরনের এড নেই!


🔵 ব্যাকগ্রাউন্ডে ভিডিও অডিওর মত করে চালাতে পারবেন। ফোন লক থাকলেও অডিও চলবে।


🔵 ডার্ক মুড!


🔵 ডিসপ্লে থেকেই ভলিউম কমাতে বাড়াতে পারবেন। ডান দিকে উপর নিচে Swap করলে ভলিউম কমে বাড়ে এবং বাম দিকে উপর নিচে Swap করলে ব্রাইটনেস কমে বাড়ে। (ফিচারটি চালু করবেন যেভাবে settings >vanced settings>swipe controls এ গিয়ে enable করে দিন।) 


🔴 720p ডিসপ্লে হলে 1080p তে দেখতে পারবেন, আর 1080p হলে 4k দেখতে পাবেন ভিডিও। 

(শুনা কথা, সত্য মিথ্যা দুটোই হতে পারে। তবে 720p ডিসপ্লে তে 1080p করতে হলে build.prop এডিট করা লাগে। নেটে ঘেটে দেখেন। পাবেন। আমার j5(15) তে ১০৮০p support করে)*


তো কিভাবে ডাউনলোড করবেন এই এপ?


1⃣ MicroG এপ ডাউনলোড করুন এবং ইনস্টল করুন! ( YouTube Vanced এপে গুগলে কানেক্ট/সাইন করতে হলে এই এপ মাস্ট লাগবে। তবে এপ ফোনে সরাসরি শো করবে না! সেটিংস অপশনে গিয়ে এপস এ পাবেন এপটি।)

MicroG APK লিঙ্ক- https://microg-for-ogyt*en*uptodown*com/android

(স্টার (*) চিহ্নিত স্থলে ডট (.) বসবে) 


2⃣ YouTube Vanced এপ ডাউনলোড করুন এবং ইনস্টল করুন এবং সাইন আপ করুন! ব্যাস হয়ে গেল। আপনি চাইলে ফোনের মূল ইউটিউব এপ ডিলিট করে দিতে পারেন!

YouTube Vanced APK লিঙ্ক- 

https://youtube-vanced*en*uptodown*com/android

(স্টার (*) চিহ্নিত স্থলে ডট (.) বসবে) 


(১ম কমেন্টে লিংক দেয়া আছে) 


🔶Root User রা Magisk এ ঢুকে dowload থেকে YouTube Vanced zip টা ফ্লাস দিলেই হবে... MicroG এপ লাগবে না.. রিবুট করার পর প্লে স্টোর থেকে YouTube অটোআপডেট অফ করে দিতে হবে!


🔵 আকাশী আইকন দিয়ে আমি যেগুলোর প্রমাণ পেয়েছি সেই ফিচারগুলো বুঝিয়েছি!


🔴 লাল আইকন দিয়ে অন্যদের মুখে শুনে শুনে লিখা বুঝিয়েছি!


 বি: দ্র: পোস্টটি বিভিন্ন জনের পোস্টে এবং কমেন্ট একত্রিত করে লিখা হয়েছে!*


পোষ্ট ক্রেডিটঃ

Shahriar Hasan ভাই ❤


কেন তাড়াতাড়ি বিয়ে করা প্রয়োজন?

 



কেন তাড়াতাড়ি বিয়ে করা প্রয়োজন?

তাড়াতাড়ি বিয়ে করা প্রয়োজন নিম্নোক্ত কারণে:

১. সুরা নুর ভালো করে অধ্যয়ণ করলে দেখবেন, সবচেয়ে বড় গুনাহের একটা হচ্ছে যিনা করা। আর যিনার শাস্তি সবচে’ কঠোর।

.

যিনার শাস্তি : অবিবাহিত যিনাকারীকে মুমিনদের একটি দলের উপস্থিতিতে ১০০ বেত্রাঘাত। বিবাহিত যিনাকারীদের প্রস্তরাঘাতে হত্যা করতে হবে।[1]

.

এবার দেখা যাক, আমাদের দেশে সমাজে কুরআনের এই বিধান আছে কিনা? সোজা উত্তর—নাই। বরং আমাদের দেশে যিনার কোনো শাস্তিই নাই। পতিতালয় থেকে যাদের গ্রেফতার করে ৫৪ ধারায়, তিনদিন পরে তাদের জামিন হয়ে যায়। কারো সাজা হতে শুনি নাই। তাহলে এবার চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখুন, বর্তমান সমাজের ভয়ংকর বাস্তব চিত্র।

.

২. আজকে চকবাজার কেয়ারী ইলিশিয়ামের সামনে প্রায় ৪০ মিনিট দাঁড়িয়েছিলাম। এ চল্লিশ মিনিটে যতটা ছেলে-মেয়ে দেখেছি, তার মধ্যে ৯০% জোড়া-জোড়া। সবাই কিন্তু স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী এবং অবিবাহিত। এখন চিন্তা করে দেখুন—তারা কেন এই বয়সেই জোড়া হিসেবে আছে? আমরা মনে করি, বিয়ে মানে শুধুই শারীরিক চাহিদা পূরণ। আসলে কি তাই? তাহলে এই যে ছেলে-মেয়েগুলো যুগলে চলাফেরা করছে, তারা সবাই কি শারীরিক সম্পর্ক করে? এটার উত্তর নিশ্চয় সবাই না।

.

তাহলে তারা কি চায়? হ্যাঁ, এক ভাইয়ের পোস্টে দেখেছিলাম। সে লিখেছে, তার মন সবসময় বোরিং ফিল করে। কিন্তু তার যেসব বন্ধুদের গার্লফ্রেন্ড আছে, তারা পড়ালেখার মাঝে মাঝে গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বলে, এরপর খুবই প্রফুল্ল মনে স্টাডি করে, যদিও এটা গুনাহ এবং শয়তান কর্তৃক সৃষ্টি হওয়া ক্ষণিকের ভালোলাগা ও প্রশান্তি তাহলে কি বুঝা যায়? একটা ছেলে বা মেয়ের শুধুই শারীরিক চাহিদা নয়, মানসিক চাহিদাটাও রয়েছে। শারীরিক স্বস্তি এবং মানসিক প্রশান্তি পায় বলেই রাত জেগে বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ডরা পরস্পররে সাথে কথা বলে।

.

৩. হযরত আদম আলাইহিস সালামকে যখন আল্লাহ সৃষ্টি করে জান্নাতে রেখেছিলেন, তখন তিনি এতো নেয়ামতের মধ্যে থেকেও একাকিত্ববোধ করছিলেন। সেজন্যই আল্লাহ তায়ালা দয়া করে তার একাকিত্ব দূর করার জন্য জীবনসঙ্গিনী হিসেবে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালামকে সৃষ্টি করেছিলেন। শারীরিক সম্পর্কটা হচ্ছে পরে বংশ বৃদ্ধি করার জন্য। এখন যদি শারীরিক আকর্ষণ তীব্রভাবে না থাকতো, তাহলে মানুষ বংশবৃদ্ধিতে যথেষ্ট আগ্রহী হয়তো নাও হত। এখনো ক্ষেত্র বিশেষে সেটা দেখা যায়।

.

৪. মানুষের তিনটি চাহিদা। প্রথমত—পেটের চাহিদা, দ্বিতীয়ত—মানসিক চাহিদা, তৃতীয়ত—শারীরিক চাহিদা। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা এভাবেই সৃষ্টি করেছেন। আবার এসব চাহিদা পূরণের সুনির্দিষ্ট নীতিমালাও বলে দিয়েছেন। উপরের তিনটি চাহিদার মধ্যে দ্বিতীয়টি অপর দুটির সাথে সম্পৃক্ত। যখন কেউ বৈধ উপায়ে পেটের চাহিদা পূরণ করতে না পারে, তখনি সে অবৈধ উপায়ে সে চাহিদা পূরণ করে। এক্ষেত্রে আপনি যতই আইন আর গুনাহের কথা বলেন না কেন, আপনি সেটা বন্ধ করতে পারবেন না।

.

অনুরূপভাবে, শারীরিক চাহিদা যখন কেউ বৈধভাবে পূরণ করতে না পারে, তখন সে অবৈধ পথে তা পূরণ করে। এক্ষেত্রেও আপনার আইন আর নিয়ম অকার্যকর। যা বর্তমানে আমরা সবাই প্রতিনিয়ত দেখছি। তাহলে দেখা যায়, এসব চাহিদা পূরণের দুটো উপায়, বৈধ অথবা অবৈধ পথ। আপনি বৈধ পথকে যত কঠিন করবেন, ততই অবৈধ পথে পা বাড়াবে।

.

৫. আল্লাহ তায়ালা যিনার শাস্তি সবচে’ কঠিন করেছেন। কারণ, অবৈধ পথে না গিয়ে যাতে বৈধ পথে যায়। আর সে বৈধ পথটা হচ্ছে বিয়ে। সেজন্য আল্লাহ তায়ালা বিয়ের পথটা সবচে’ সহজ করেছেন। বর্তমানে কি দেখা যাচ্ছে? পৃথিবীর সবচে’ কঠিন কাজ হচ্ছে বিয়ে, বিপরীতে সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে যিনা। হিসেব করেই দেখুন—২০০-৫০০ টাকা খরচ করেই যে কেউ যিনা করতে পারছে। আর বিয়ে করতে হলে প্রথমেই লাগবে একটি ভালো অবস্থান, তারপরে সব মিলিয়ে কমপক্ষে ১০-১৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে।

.

তাহলে এবার বলুন, কেন মানুষ এতটাকা খরচ করে বিয়ে করবে, যেখানে ২০০ টাকায় কাজ শেষ।

.

৬. বিয়ের পথ কঠিন হলে যিনার পথ সহজ হবে এটাই স্বাভাবিক। পশ্চিমা সমাজ আর ইসলামের দুশমনেরা সেটাই চায়। আর আমরা মুসলমানরা তাদের সে ফাঁদেই পড়ে আছি। বের হওয়ার চেষ্টা তো দূরে থাক, চিন্তাও করিনা। কিন্তু তারা ঠিকই তাদের নিয়মে চলে। তাদের বিয়ের আগেই ৯৯%-এর সবকিছু আদান-প্রদান হয়ে যায়, তাই তারা বিয়ে করে ক্যারিয়ার গঠনের পরে। বাট, মুসলিম সমাজে সেটা কখনো সম্ভব নয়। আর সম্ভব না হলেই কি বিরত থাকে? নাহ, খুব কম সংখ্যক বিরত থাকে এখন। সেটা দিন দিন বাড়ছেই। আর সেটাই পশ্চিমারা চায়।

.

৭. ক্রুসেড চলাকালীন মুসলিমদেরকে যখন ইহুদি-খ্রিষ্টানরা কোনোভাবেই পরাস্ত করতে পারছিল না, তখন শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে সুন্দরী নারীদের মুসলিম সৈন্যদের পিছনে লেলিয়ে দিয়েছিল। কেন? কারণ, দীর্ঘদিন নারীসঙ্গ বঞ্চিত মুসলিম সৈন্যদের সহজেই আকৃষ্ট করা যাবে। তাতে করে অবৈধভাবে যিনা করার ফলে মুসলিম সৈন্যদের চারিত্রিক শক্তি নষ্ট হবে, ঈমান দুর্বল হয়ে যাবে। ফলে, যুদ্ধ করার জন্য ঈমানী শক্তি হারিয়ে ফেলবে। আর বর্তমান মুসলিম সমাজেও ইহুদি-খ্রিষ্টানরা সেই নগ্নতাকে ছড়িয়ে দিয়েছে। বিয়ে না করে যুব সমাজ তাদের চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে।

.

৮. একটা ছেলে যদি জীবনের সবচে’ কঠিন সময় প্রথম ত্রিশ বছর বিয়ে না করেই কাটিয়ে দেয়, তাহলে পরের রসকষহীন ত্রিশ বছরের জন্য কেনইবা বিয়ে করবে? তার মানে কি বিয়ে শুধু চাকরি করে অন্যজনের পিছনে খরচ করবে, আর বংশ ধরে রাখতে সন্তান উৎপাদন করবে এজন্যই? কারণ, ত্রিশ বছর পরে স্ত্রীর সাথে ভালবেসে কথা বলার টাইম নাই। শুধু চাকুরি, ব্যবসা আর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। মন-মানসিকতা তখন পরিবর্তন হয়ে যায়। বয়সের গাম্ভীর্য চলে আসে। অপরপক্ষে মেয়েটা ২২-২৫ বছরের তরুণী। সে চাইবে—একটু খুনসুটি করতে, রোমান্টিক কথা শুনতে। কিন্তু বয়সের কারণে গাম্ভীর্য আসা, কাজ করে সারাদিন পরে ক্লান্ত মানুষটার তখন কি সে মুড থাকে?

.

সেজন্যই এখন বেশিরভাগ সংসারে সুখ নেই, আছে সম্পর্কের টানাপোড়েন। আর উত্তাল সমুদ্রের মত এই প্রথম ত্রিশ বছর তরুণটা কি করে কাটায়? প্লিজ! নিজের সাথে মিলিয়ে দেখুন। জীবনের কঠিন সময়েই যদি সহধর্মিণীকে পাশে না পায়, তাহলে বাকি সময় পেয়ে কি করবেন? কারণ, শেষ ত্রিশ বছর এমনিতেই পার করে দেয়া যাবে।

.

৯. আমরা যারা এই অবৈধ প্রেম-ভালবাসায় ডুবে থাকা ছেলে-মেয়েদের দেখে ফতোয়া স্মরণ করি—তারা কি ভেবে দেখেছি? তাদের জন্য কী করতেছি বা আদৌ এর থেকে তাদের বের করে আনার পথ কী? আপনি তাদেরকে যতই আইন, নৈতিকতা, কুরআন, হাদিসের বুলি আওড়িয়ে যান না কেন, কোনো লাভ হবেনা। প্রমাণ তো দেখতেই পাচ্ছেন। সুতরাং নিষেধ করার পাশাপাশি কার‌্যকরী পদক্ষপে নেয়া জরুরী। আর প্রত্যেকে নিজ কর্মের জন্য দায়ী, তাই নিজ গুনাহের ভার সমাজের উপর চাপিয়ে হালকা করা যাবে না। তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে।

.

১০. বর্তমান সমাজ থেকে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, অবৈধ প্রেম-ভালবাসা থেকে বের করে আনতে বিয়ের কোনো বিকল্প নেই। যদি ঈমানদার, দ্বীনদার, চরিত্রবান, ইসলামি আদর্শে উজ্জিবিত তরুণ প্রজন্ম গড়তে চাই, তাহলে বিয়ে ছাড়া ভিন্ন কোনো পথ নেই। আমি বলছিনা কিশোর বয়সে বিয়ে করিয়ে দিতে হবে। ছেলেদের ১৮-২১ আর মেয়েদের ১৫-১৬-এর পর বিয়ে করিয়ে দিন। যদিও ইসলামে বালেগ হওয়ার সাথে সাথে বিয়ে করিয়ে দিতে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। যাইহোক এই সময়ে বিয়ে করিয়ে দিলে দেখবেন তাদের চরিত্র ৯০ ভাগ পবিত্র হয়ে গেছে ইনশা আল্লাহ।[2]

[1] বিস্তারিত দেখুন, সুরা নুর : ২৪।

[2] লিখেছেন : Revival Muhammad Abdullah‎ ভাই।

...

বই- বিয়ে: অর্ধেক দ্বীন

সম্পাদনা : কায়সার আহমাদ

মুদ্রিত মূল্য : ৩৪০ টাকা

প্রকাশনায় : পথিক প্রকাশন

https://www.facebook.com/Pothikshop/



Report Abuse

About Me

Tags

Search This Blog

Categories

Categories

Advertisement

40% Off

Popular Posts