মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী❜ ✍বইটির লেখকঃ আলী হাসান উসামা।
Link will be apear in 15 seconds.
Well done! you have successfully gained access to Decrypted Link.
📚#বুক_রিভিউঃ ❛মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী❜
✍বইটির লেখকঃ আলী হাসান উসামা।
“(আরম্ভ করছি) পরম করুণাময় অসীম দয়াময় আল্লাহর নামে।”
🍂ভূমিকাঃ
——————
মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী বইটির নামটির মধ্যেই এক আলোর দিশার প্রতি আহবানের চিত্র ফুটে ওঠে।
জিহাদের মাঝে জানি শুধু আছে জিন্দেগানি,
চলো সেই পথে মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী!
উপরের চরণ দুটি ইসলামি রেনেসাঁর কবি ফররুক আহমদের কাফেলা কাব্যগ্রন্থের একটু কবিতার অংশ। আর বইয়ের নাম মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী মূলত এখান থেকেই চয়িত। বইটি সত্যের অনুসন্ধিৎসা আছে, এমন প্রতিটি মুমিনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ। বইটিকে দিকনির্দেশনাকারী বই বলা চলে। আর এই বইটি বর্তমান দ্বীন প্রতিষ্ঠায় ব্যাকুল তরুন-যুব সমাজের জন্য গাইডলাইনমূলক একটি বই। এই বইটি চিন্তার নতুন দুয়ার খুলে দিবে। বইটির সূচিপত্রে যে আটটি নিবন্ধের ভিত্তিতে লিখা হয়েছে তা এক-একটি বই হওয়ার দাবিদার। তবুও লেখকের প্রশংসা করতে তিনি এই আটটি নিবন্ধগুলো অত্যন্ত প্রজ্ঞা ও হিকমাহর সাথে একটি বইয়ে রূপ দিতে পেরেছি, যা একজন দক্ষ কলমসৈনিকের দক্ষতা প্রকাশ পায়।
📚বই পরিচিতিঃ
—————————
বইটি যেসকল বিষয়গুলো নিয়ে পর্যলোচনা করেছেন সেসকল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- তাওহীদের মূল শিক্ষা, শির্ক, ঈমান, কালিমার মর্ম, সহিহ আকিদা, জিহাদ, বিজয়, আল-ওয়ালা ওয়াল- বারা, নব্যক্রুসেড, জাহিলিয়াত, জাতিয়তাবাদ, রিদ্দার ফিতনা, ভিসা, ইসলামী জীবনব্যবস্থা, বাইতুলমাল, তাকফির, খারেজি, সাহায্যপ্রাপ্ত দল ইত্যাদি।
মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী বইটি মূলত কয়েকটি নিবন্ধের সংকলন স্বরূপ। মোট আটটি নিবন্ধের ওপরে বইটি রচিত-যেমনঃ ১ম নিবন্ধটি শাইখ ইকবাল কিলানি ও শাইখ মুহাম্মাদ কুতুবের লেখা অবলম্বনে; ২য় নিবন্ধটি শাইখ ইউসুফ উয়ায়রির লেখা অবলম্বনে; ৩য় নিবন্ধটি শায়খ আহমাদ মুহাম্মাদ শাকিরের লেখা অবলম্বনে; ৪র্থ নিবন্ধটি শায়খ আবু মুহাম্মাদ আইমানের লেখা অবলম্বনে; ৫ম নিবন্ধটি সায়্যিদ আবুল হাসান আলি নদবির লেখা অবলম্বনে; ৬ষ্ঠ নিবন্ধটি শাইখ সাইদের লেখা অবলম্বনে এবং ৮ম নিবন্ধটি শাইখ আবু মুহাম্মাদ মাকদিসি ও শাইখ হারিস আন-নাজ্জারের লেখা অবলম্বনে। বইটির মূলতত্ত্ব ও তথ্য বিদগ্ধ আলিমগণের হলেও বর্তমানের উপযোগী করে তুলেছেন এবং প্রয়োজনানুসারে সেগুলোর সঙ্গে সংযোজন-বিয়োজন ও পরিমার্জন করেছেন সম্মানিত লেখক। বইটি যথেষ্ঠ রেফারেন্স সহকারে রচিত হয়েছে। বইটি যে উদ্দেশ্য লেখক লিখেছেন সেটি যেন সফল হয় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’,লার কাছে এই দোয়াই রইলো।
এখন বইটির ৮ নিবন্ধের সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা যাক যেন পাঠকেরা বইটি সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারনা নিতে পারেন।
✍নিবন্ধ-০১ঃ মর্মরে বাজে তাওহীদের আজান
———————————————————————
ইসলামের মূলভিত্তি হলো তাওহিদ। আর তাওহিদ পন্থীদের জন্য রয়েছে তার রবের পক্ষ থেকে মহাসফলতা। তাই তাওহিদের মৌলিক বিষয়াদির জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসমানের জন্য ফরজে আইন।
তাওহীদ হলো একত্ববাদ আর এর বিপরীত হলো শির্ক, যার কোন ক্ষমা নাই। আর অন্যান্য ধর্মে শির্কের মিশ্রন ঘটেছে যা লেখক প্রথমেই দেখিয়েছেন। তাওহিদ ৩ প্রকার। যথাঃ সত্তাগত তাওহিদ, ইবাদাতের তাওহিদ এবং গুণাবলির তাওহিদ। যা, বইটিতে বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে।
ঈমান কেবল আকাঙ্খা পোষণ বা ব্যক্ত করার নাম নয়, বরং তা স্বীকৃতি তত্ত্বসমূহকে প্রয়োগিক জীবনে বাস্তবায়িত করার নাম আর এর মর্মকথাই হলো ❛লা ইলাহা ইল্লালাহ❜। মহান আল্লাহ তায়া’লা বলেন,
❝তুমি কি দেখ না, আল্লাহ কীভাবে উপমা পেশ করেছেন? কালিমা তাইয়েবা, যা একটি ভাল বৃক্ষের ন্যায়, যার মূল সুস্থির আর শাখা-প্রশাখা আকাশে।❞
[ 14:24 ]
কালিমা-তত্ত্ব ছেড়ে জীবনে টপিক টি ঐক্যের প্রতি আহবান করে আর সেই ঐক্য হলো বহুসংখ্যাক মূর্তি-পূজা এবং নিজের মনের উপাস্য বাদ দিয়ে এক আল্লাহকে উপাস্য হিসেবে গ্রহন করা তবেই সফলতা সম্ভব। সর্বশেষ কবি আল মাহমুদ- এর সুন্দর এক মটি কবিতা দিয়ে এই নিবন্ধটি শেষ করা হয়েছে।
✍নিবন্ধ-০২ঃ দেখা হবে বিজয়ের মিছিলে
—————————————————————
মুসলমানদের বিজয় কেবল সামরিক বিজয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিজয় শব্দটি ধারণ করে ব্যাপক ও বিস্তৃত অর্থে। এই নিবন্ধে বিজয়ের মোট নয়টি অর্থ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিজয়ের প্রথম অর্থ- নফস, শয়তান ও আল্লাহর পথে আত্মোৎসর্গের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক বিষয়ের ওপর বিজয় লাভ করা। আল্লাহর পথে প্রাণোৎসর্গের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক আট প্রকার ভালোবাসার জিনিসের কথা সূরা তওবার ২৪ নং আয়াতে উল্লিখিত আছে।
বিজয়ের ২য় অর্থ- সঠিক পথপ্রাপ্ত হওয়া। কারন, একজন মুসলিম যদি সঠিক পথপ্রাপ্ত না হয়, তাহলে তার প্রাণোৎসর্গ সার্থক হবে। ৩য় অর্থ- মুনাফিক ও মুলহিদদের ওপর বিজয় লাভ করা। বিজয়ের ৪র্থ অর্থ- মিল্লাতে ইব্রাহিমের ওপর অবিচল থাকা। ৫ম অর্থ- বাতিলের সব প্রমাণ খন্ডন করে সত্যের প্রমাণ সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা। ৬ষ্ঠ অর্থ- কাফিরদের ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে পাকড়াও নেমে আসা। ৭ম অর্থ- কাফিররা দারিদ্র্যপীড়িত হবে তাদের সব সম্পদ হারিয়ে, আর তারা তাদের গোমরাহির ওপর মৃত্যুবরণ করবে। ৮ম অর্থ- আল্লাহর পথে শাহাদাত বরণ করা। এর চাইতে বড় প্রাপ্তি আর বিজয় কিছু হতে পারেনা। সর্বশেষ বিজয়ের ৯ম অর্থ- রণাঙ্গনে কুফফারগোষ্ঠীকে পরাজিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করা।
✍নিবন্ধ-০৩ঃ আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা: প্রেক্ষিত নব্যক্রুসেড
————————————————————————
ইসলামি শরীয়তে ‘আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা’র আকিদা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আল-ওয়ালা আরবি শব্দ এর অর্থ হলো বন্দু, সাহায্যকারী, মিত্র। এর উদ্দেশ্য হলো একজন মুমিন ব্যক্তির কার সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনব করা উচিত তার নির্দেশনা দেয়। এবং বারা’র শব্দের অর্থ সে শত্রুতা করেছে, সে ছিন্ন হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো কার সাথে অস্তুষ্টি, শত্রুতা পোষন করা উচিত তার নির্দেশনা দেয়।
নব্যক্রুসেড মূলত চেঙ্গিস খানের সংবিধানমালা ‘ইয়াসিক’ কেই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার পায়তারা করে যাচ্ছে। তারা আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে মানব রচিত আইনকে আঁকড়ে ধরেছে। আল্লাহ তায়া’লা বলেছেন,
❝তবে কি তারা প্রাগ-ইসলামী (জাহেলী) যুগের বিচার-ব্যবস্থা পেতে চায়? খাঁটি বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য বিচারে আল্লাহ অপেক্ষা কে শ্রেষ্ঠতর?❞
[ সূরা আল-মায়িদাহঃ ৫০ ]
✍নিবন্ধ-০৪ঃ ভিসা: আলো-আঁধারের খেলা
——————————————————————
ভিসা একটি আধুনিক মাসআলার অন্তর্ভুক্ত আর এখানে লেখক তার ফিকহি জ্ঞান দিয়ে এর শরয়ি সমাধান দিয়েছেন। প্রথমের দিকে এনসাইক্লোপিডিয়া থেকে ভিসার সংজ্ঞা তুলে ধরা হয়েছে। আজ তো মুসলিম জাতি কোথাও নিরাপদ নয়, আজ তারা বড়ই অসহায়। এই নিবন্ধে ফুঁটে উঠেছে- প্রথম কথা, ভিসা কোন মুসলমানকে নিজের জীবনের ব্যাপারে নিরাপত্তা দেয় না। এর পরিপেক্ষিতে তিনি কিছু শাইখ, আলেমদের ঘটনা তুলে ধরেছেন। দ্বিতীয় কথা, ভিসা একজন মুসলমানকে তার পরিবারের ব্যাপারে নিরাপত্তা দেয়না, উদাহরনস্বরূপ ১০ টি পয়েন্ট তুলে ধরেছে। তৃতীয় কথা, ভিসা একজন মুসলমানকে তার সম্পদের ব্যাপারেও নিরাপত্তা দেয় না, এখানে উদাহরণস্বরূল ৩ টি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। চতুর্থ কথা, এ ভিসা মুসলমান তার দ্বীনের ব্যাপারেও নিরাপদ নয়, এখানেও ৩ টি পয়েন্ট উল্লেখ করেছে।
✍নিবন্ধ-০৫ঃ চারিদিকে রিদ্দাহর ফিতনা নেই একজন আবু বকর
——————————————————————————
রাসুল (স.) ইন্তেকালের অব্যাহিত পরে বিভিন্ন আরব গোত্রে রিদ্দাহ (ইসলামত্যাগ) প্রকাশ্য আকার ধারন করেছিল। সেই রিদ্দাহই এক নিয়েছে নতুন রূপ। ইসলামী পরিভাষায় রিদ্দাহ হলো এক দীন (ইসলাম) ছেড়ে অন্য দীন গ্রহণ করা। যখনই মুসলিম ভূখন্ডে রিদ্দাহর ঘটনা দেখা দেয় তখনই যুগ যুগ ধরে আলিম সম্প্রদায়, দাঈ, কলমসৈনিকেরা মুরতাদদের দাবি খন্ডন করে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। বর্তমানে রিদ্দাহর যে নতুন রূপটি ধারন করেছে সেটি হলো নাস্তিকধর্ম। আগে মুরতাদ প্রকাশ্যে হয়ে হয় হিন্দু, খ্রিস্টান, ইহুদি বা অন্য ধর্মের অনুসারী হতো কিন্তু এখন গোপনেই বেশিরভাগ নাস্তিকধর্ম গ্রহণ করে। আর নাস্তিকদের কপটতাও উল্লেখিত হয়েছে বইয়ে।
ইসলামের সাথে রয়েছে জাহিলি জাতিয়তাবাদের সংঘর্ষ আর এর মুকাবিলা স্বয়ং রাসূল (স.) করেছেন।
জাহিলিয়াত ও তার প্রতীকের ব্যাপারে মুসলিমদের অবস্থান লেখক তুলে ধরেছেন। তাছাড়া আজ মুসলিমদের অনেকের মধ্যে জিহাদ সম্পর্কে ভুল ধারনা আছে সেটা দূর হবে এই নিবন্ধে। সত্যের ভেতর নেই কোন অস্পষ্টতা তাই ইসলাম ছাড়া কেউ অস্পষ্টতা গ্রহনব করলে তার উপযুক্ত শাস্তি তাকেই পেতে হবে।
✍নিবন্ধ-০৬ঃ রাসূলের হাতে প্রতিষ্ঠিত ইসলামি সমাজব্যবস্থার ভিত্তিঃ
———————————————————————
পৃথিবীতে বহু নবী আগমন করেছেন, কিন্তু যিনি একই সঙ্গে সমানভাবে সাক্ষ্যদানকারী, সতর্ককারী, সুসংবাদদাতা, সত্যের আহবানকারী, সিরাজাম মুনিরা তিনি হলে নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (স.)। মানবতা ধবংসের পথ থেকে হাত থেকে রক্ষা করার পথ একটাই আর তা হলো, নবীগণের আদর্শ অবলম্বন করা। ইসলামী সসমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাসূল (স.) যেসকল পদক্ষেও নিয়েছিলেন তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য -
মসজিদ নির্মাণ, মুসলমানদের জন্য ভ্রাতৃত্বের বন্ধন স্থাপন, মুসলমানদের অমুসলিমদের সঙ্গে আচাররীতির বিধান-সংবলিত সংবিধান প্রণয়ন।
আর এইসকল বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এই নিবন্ধে।
✍নিবন্ধ-০৭ঃ বাইতুলমাল পরিচিতি ও কার্যক্রম
————————————————————————
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নেতৃত্বে যেদিন মদিনা নগরে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, মূলত সেদিন থেকেই ইসলামী কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে ‘বায়তুলমাল’ আত্মপ্রকাশ করে। ৬ টি জিনিসের সমন্বয়ে বায়তুলমাল গঠিত হয়। যথাঃ ১. সাধারণ কোষাগার ও তার ব্রাঞ্জসমূহ, ২. প্রশাসনিক পরিচালনা, ৩. রাজস্ব, ৪. ব্যয়ের খাত, ৫. সাধারণ অর্থনৈতিক সম্পদ, ৬. পপরিচালনাও বিধি ও নীতিমালা।
এইসকল বিষয়ের শাখা-প্রাশাখা নিয়ে আলোচিত হয়েছে নিবন্ধটি।
✍নিবন্ধ-০৮ঃ তাকফির: এক সংবেদনশীল অধ্যায়
—————————————————————————
তাকফির করা ও এটা নিয়ে গবেষণা করা নিঃসন্দেহে অনেক বড় ও সাহসিকতার কাজ । এটি ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এটিই করেছেন সম্মানিত লেখক। বইটিতে, ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রাহ.) একটি কথা উল্লেখিত আছে এই নিবন্ধে- ❝ যাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (স.) কাফির সাব্যস্থ করেননি, তাকে কাফির সাব্যস্থ করা কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।❞ [ ইলামুন মুআক্কায়িন ৪/৪০৫ ]
খারেজি ও তাকফিরি ফিরকার বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিষদ আলোচনা হয়েছে এই নিবন্ধে। এখানে তাদের ৮ টি বৈশিষ্ট্য চিহ্নিতকরণ করা হয়েছে। সর্বশেষ কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সাহায্যপ্রাপ্ত দল ও বিষয়ী দল নিয়ে পপর্যালোচনা হয়েছে।
📘বইটি কারা পড়বেন?
————————————
বইটি মূলত যারা সত্যানুসন্ধানী তাদের আগে পড়া উচিত। আর বইটি তরুন-যুব সমাজের জন্য একটি গাইড-লাইন। তাছাড়া বইটি সবাই পড়তে পারবেন কিন্তু ইসলামের জ্ঞান যদি একেবারেই না থাকে তাহলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বুঝতে সমস্যা হবে। আর বইটি ফিকহের ছাত্রদেরও উপকারে আসবে কারণ এই বইয়ে ফিকহ বিষয়েরও আলোকপাত হয়েছে।
🔎লেখক পরিচিতিঃ
———————————
তরুন লেখক হিসেবে শাইখ আলী হাসান উসামা ঈর্ষনীয় জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী। বর্তমানে এক স্বনামধন্য মাদরাসায় সিনিয়র মুহাদ্দিস পদে কর্মরত। পাশাপাশি ফতওয়া বিভাগের সহযোগী মুফতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকতা ছাড়াও তিনি লেখক, অনুবাদক, সম্পাদক, আলোচক ও খতিব। তিনি নিজেকে নানারকম ইলমি কাজে ব্যস্ত রেখেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
🔹রেটিংঃ ৯.৫/১০🔹
[ অবশেষে সবাইকে উদার্ত আহবান জানাবো বইটি অন্তত্য একবার হলেও পড়ে দেখার জন্য ]
———————————————————————–
📖বইয়ের নামঃ ‘মুক্ত প্রাণের হে সন্ধানী’
✒লেখকঃ আলী হাসান উসামা
🖨প্রকাশনীঃ কালান্তর প্রকাশনী
💵প্রচ্ছদ মূল্যঃ ২৮৪ টাকা
📄পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২১৬
📘প্রচ্ছদঃ আবুল ফাতাহ মুন্না
⏳প্রকাশকালঃ জুলাই, ২০১৯
🔣 ISBN: 978 984 887 96 0
🔸অনলাইন পরিবেশকঃ রকমারী,
খিদমাহ, ইফোর্ড বিডি।
———————————————————————–
#কালান্তর_প্রকাশনী_ইসলামি_বই_বিশেষ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_১
কালান্তর প্রকাশনী






