আপনার হাতের আঙ্গুল এরকম হয়েছে কখনও?
Link will be apear in 15 seconds.
Well done! you have successfully gained access to Decrypted Link.
আপনার হাতের আঙ্গুল এরকম হয়েছে কখনও?
বেশীক্ষণ ধরে গোসল করলে কিংবা পানির কাজ করলে নিশ্চয়ই লক্ষ্য করছেন আঙুলের ডগার চামড়া কুঁচকে গিয়েছে। প্রায় প্রত্যেকেই এই বিষয়টি জানেন। কিন্তু এই চামড়া কুঁচকে যাওয়ার মূল কারণ জানেন কি? তাহলে জেনে রাখুন, আসলে কিন্তু চামড়াটা কুঁচকে যায় না। বরং ঘটে অন্য একটি ঘটনা! এবং আমাদের মনে হয় যে চামড়া কুঁচকে গিয়েছে।
আমাদের দেহের চামড়া বেশ কয়টি স্তর দিয়ে তৈরি। আমাদের চামড়ার সর্বশেষ স্তরটির নাম এপিডারমিস। এই এপিডারমিস থেকে একধরনের তৈলাক্ত পদার্থ নির্গত হয় যার নাম সেবাম। এই সেবাম আমাদের চামড়ার জন্য একটি প্রতিরক্ষা পর্দার মতো তৈরি করে।
আমরা যখন কাঁচ কিংবা অন্যান্য মসৃণ কোনো তল স্পর্শ করি তখন আমাদের হাতের ছাপ বসে যায় সেখানে, আমাদের হাত পরিস্কার থাকলেও এটি হয়ে থাকে। এই তৈলাক্ত ছাপই সেবাম। সেবামের কারণেই এই কাজটি হয়ে থাকে।
যখন আমরা কিছু সময় পানি ধরি বা পানির সংস্পর্শে থাকি তখন এই সেবামের কারণে পানি আমাদের চামড়ার ভেতরের স্তরে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু বেশি সময় ধরে পানি ধরলে আমাদের হাতের এই সেবাম চলে যায় এবং চামড়ার ভিতরে পানি প্রবেশ করে।
অর্থাৎ আমাদের চামড়া পানি শোষণ করে এবং এপিডারমিসের ভেতরের স্তর ডারমিসে প্রবেশ করে। তখন যে যে স্থানগুলোতে ডারমিস ও এপিডারমিসের মধ্যকার বন্ধন থাকে না সেসব স্থান পানি শোষণ করে ফুলে যায় এবং যে যে স্থানগুলোতে ডারমিস ও এপিডারমিসের মধ্যকার বন্ধন থাকে সেসব স্থান আগের মতোই থাকে। তাই আমাদের কাছে চামড়া কুঁচকে গিয়েছে বলে মনে হয়।
বিজ্ঞান আরো প্রমান করেছে এই কুচকে যাওয়াতে আমরা ভেজা অবস্থায় কোনো কিছু গ্রিপ করতে পারি সহজে।নচেত যারা পানি কেন্দ্রীয় বা ডুবুরির কাজ করেন তাদের জন্য ধরা বা কাজ করা কঠিন হতো।
আরো বিস্তারিত পড়তে গুগলে সার্চ করতে পারেন।ছবি সহ বিস্তারিত গবেষনা এসেছে।মজার ব্যপার হলো ১৯৩০ সালের দিকেই এ বিষয়ে মানুষ মোটামুটি বুঝে ফেলেছিল।এবং ভাঁজ হবার সুফল জানত!যাদের স্নায়ু কাজ করেনা(হাতের) সারাদিন পানিতে হাত ভিজিয়ে রাখলেও ভাজ হবেনা! সুবহানাল্লাহ। অযথা বলে আমাদের শরীরে কিছুই নেই।।
fb.com/abdulhimd.saifullah






